1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

বগুড়ার নন্দীগ্রামে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াতের দুই নেতা গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৮ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

বগুড়ার নন্দীগ্রামে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নন্দীগ্রাম পৌর এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আটক করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—নন্দীগ্রাম পৌর জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক এটিএম মুজাহিদ এবং উপজেলা জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম।

থানা সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের আগের সময়ে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা মজিদসহ কয়েকজন আহত হন। পাশাপাশি, কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগও আসে।

আহত মাসুদ রানা মজিদ নন্দীগ্রাম থানায় ৩৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় এটিএম মুজাহিদ ও রাকিবুল ইসলামের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মামলা দায়েরের পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের জন্য স্থানীয় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে। এই ধরণের সহিংসতা স্থানীয় নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে প্রভাবিত করার পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।

স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক দলের মধ্যে সহিংসতা রোধে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসন বলছে, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026