1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

গণঅভ্যুত্থান মামলায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৫ বার দেখা হয়েছে

 

আইন আদালত ডেস্ক

চব্বিশের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও হত্যাকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর আদালতে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, মামলাটির সূচনা বক্তব্য গত ১০ ফেব্রুয়ারি চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম উপস্থাপন করেন। এরপর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারাধীন হয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময়কালীন একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়, যেখানে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক কারফিউ চলাকালে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে ‘শেষ করে দিতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন। প্রসিকিউশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই নির্দেশনামূলক বক্তব্যের প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, যা গণহত্যায় উসকানির সমতুল্য।

গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। অভিযোগ আমলে নিয়ে ১২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এবং বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। আজ থেকে এই মামলার আনুষ্ঠানিক সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হওয়ায় মামলা বিচারিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের ফলাফলের উপর আগামী বিচারিক প্রক্রিয়ার গতি নির্ভর করবে। মামলাটি বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান ও ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ট্রাইব্যুনাল সূত্রে আরও জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যা মামলার নির্ভুল তথ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ উভয়ই মামলার যথাযথ প্রমাণাদি ও যুক্তি উপস্থাপন করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সূত্রে জানানো হয়, মামলার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করতে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে চলবে এবং আদালত সকল প্রমাণ ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।

এই মামলার প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সংবেদনশীল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের সময়কার ঘটনার নথিপত্র, সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণাদি বিচারাধীন থাকায় আদালতের সিদ্ধান্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026