1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন

জাতিসংঘের মহাসচিব আহ্বান জারি পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে যুদ্ধবিরতির জন্য

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৭ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান সহিংসতা বন্ধের জন্য অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক শুক্রবার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

দুজারিকের বরাতে মহাসচিব গুতেরেস মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দ্রুত কার্যকর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা এবং কূটনৈতিক মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তিনি একই সঙ্গে সব পক্ষকে তাদের দ্বিপক্ষীয় মতপার্থক্য সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করার আহ্বান জানান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা ঝুঁকি বিরাজ করছে, যা স্থানীয় জনসংখ্যার জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করছে। সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র সংঘাতের কারণে লোকসানের পাশাপাশি মানবিক সাহায্যের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতিসংঘের এই আহ্বান কূটনৈতিক মহলে আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনার পথ সুগম করতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সংলাপ ও শান্তি প্রচেষ্টা ব্যতীত সীমান্ত অঞ্চলের সহিংসতা কমানো কঠিন হবে।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে সশস্ত্র সংঘাতের ঘটনা ঘনিয়ে গেছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ও দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026