1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় আলি খামেনি নিহতের খবর

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১২০ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলায় নিহত হয়েছেন বলে রোববার (১ মার্চ) জানা গেছে। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এ ঘটনায় জবাবে ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী সামরিক অভিযান চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার ভোরে তেহরানের নিজের কার্যালয়ে আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এই হামলার পরই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী সামরিক অভিযান শীঘ্রই শুরু হবে এবং এটি অঞ্চলজুড়ে অধিকৃত ভূখণ্ড ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করবে।’

ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, হামলার সময় খামেনি তার দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ছিলেন। রোববার সকালে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, খামেনির কার্যালয় ও আশেপাশের এলাকায় বিস্ফোরণের চিহ্ন রয়েছে এবং প্রাসাদটি ধসে পড়েছে।

আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে দেশটির শাসন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিপ্লবের মাধ্যমে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্র উৎখাত হওয়ার পর ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বোচ্চ নেতার পদে তিনি দেশের সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকে খামেনি দেশটির নীতি নির্ধারণ, সামরিক সিদ্ধান্ত, বিদেশনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক স্তরে বড় ধরনের পরিবর্তন ও শূন্যস্থান তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

আইআরজিসি-এর হুঁশিয়ারি অনুযায়ী, উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করছেন, এ ধরনের হামলা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির ওপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ ঘটনায় কূটনৈতিক চাপ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। অঞ্চলের দেশগুলোর সরকার, সামরিক বাহিনী এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026