1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন ‎সুন্দরবন থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার সড়কে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটাতে হবে: রিজভী

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুতে সংকটের আশঙ্কা, দীর্ঘমেয়াদি ইরান সংঘাতকে কেন্দ্র করে সতর্কতা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাত যদি আরও দশ দিন স্থায়ী হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত বিপজ্জনকভাবে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পেন্টাগন সতর্ক করেছে। যুদ্ধের চতুর্থ দিনে পেন্টাগনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি হলে কেবল অস্ত্রের ঘাটতি নয়, বরং ফুরিয়ে যাওয়া গোলাবারুদ পুনঃসংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হবে। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার বর্তমানে ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে এবং এই মজুত দিয়ে ‘চিরকাল’ যুদ্ধ চালানো সম্ভব।

পেন্টাগনের ফাঁস হওয়া তথ্যানুযায়ী, বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি আশঙ্কাজনক। জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও ইউক্রেনকে বিপুল সামরিক সহায়তা প্রদানের ফলে আমেরিকার নিজস্ব মজুত ইতিমধ্যে সংকুচিত হয়েছে।

গত বছরের ইরান সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের থাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে। বর্তমান সংঘাতে ইরান ড্রোন ব্যবহারের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে যে পরিমাণ ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন, তা উৎপাদন হার ধীর। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইরান মাসে প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, অথচ যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ৬ থেকে ৭টি ইন্টারসেপ্টর উৎপাদন করতে সক্ষম।

সংঘাতের আর্থিক প্রভাবও উদ্বেগের কারণ। সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির তথ্যানুযায়ী, একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনা করতে দৈনিক প্রায় ৬৫ লাখ ডলার বা প্রায় ৫৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়। অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার খরচ করেছে।

পেন হোয়ার্টন বাজেট মডেলের পরিচালক কেন্ট স্মেটার্স পূর্বাভাস দিয়েছেন, ট্রাম্পের ইঙ্গিত অনুযায়ী যদি যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ব্যয় প্রায় ২১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। গত এক বছরে কেবল ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অভিযানে ওয়াশিংটন ইতিমধ্যেই ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, জেডিএএম বা সাধারণ বোমাকে স্মার্ট বোমায় রূপান্তর করার কিট এবং নৌবাহিনী থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টরের মজুতও বর্তমানে নিম্নমুখী। এর প্রধান কারণ হিসেবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং ইরানের বিরুদ্ধে বারবার সামরিক অভিযান চালানোকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত ও তীব্র লড়াইয়ের জন্য পরিকল্পিত, কিন্তু ইরানের মতো দেশের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি এবং কম খরচের রকেট বা ড্রোন হামলা মোকাবিলা করা অর্থনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল। এই ভারসাম্যহীনতা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026