1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন ‎সুন্দরবন থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার সড়কে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটাতে হবে: রিজভী

ইসরায়েলি বিমান হামলায় তেহরানে ব্যালিস্টিক মিসাইল অবকাঠামো ধ্বংস

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের রাজধানী তেহরানে বুধবার রাতের ঘনঘটা সময়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এক ঘোষণায় জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক অবকাঠামো, বিশেষত ব্যালিস্টিক মিসাইল সংশ্লিষ্ট সুবিধাসমূহ।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যার পর তেহরানে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের লক্ষ্যস্থলে থাকা ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইরানি সেনারা, সেই সময়ই হামলা চালানো হয়। হামলার ফলে ব্যালিস্টিক মিসাইল সম্পর্কিত অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার বিস্তারিত তাত্ক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে পূর্বের হামলার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে, এর সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের তেহরানে প্রথম বিমান হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতের এই হামলাকে এই সিরিজের ১১তম হামলা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম এবং আঞ্চলিক প্রভাব বৃদ্ধির চেষ্টা ইসরায়েলের হামলার মূল কারণ হতে পারে। এই ধরনের হামলা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরানীয় সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমন হামলা মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুত। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা হামলার সময়সূচি এবং লক্ষ্য নির্ধারণে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পর্কে তত্ত্ব ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন, যা ভবিষ্যতে একই ধরনের সংঘর্ষের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে।

এই হামলার সঙ্গে যুক্ত প্রেসিডেন্টিয়াল বা সরকারী প্রতিক্রিয়া এখনও সীমিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বিষয়টিকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সামরিক ও কূটনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলার হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026