1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন ‎সুন্দরবন থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার সড়কে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটাতে হবে: রিজভী

ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানো ‘সময়ের অপচয়’: ট্রাম্প

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ হবে না। তিনি মন্তব্য করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ‘সময়ের অপচয়’ হতে পারে এবং এ মুহূর্তে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা তার প্রশাসনের নেই।

বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তারা উল্লেখযোগ্য সামরিক সম্পদ হারিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের নৌবাহিনীসহ বিভিন্ন সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার ফলে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা বর্তমানে কম বলে তিনি মনে করেন।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সাম্প্রতিক বক্তব্যেরও প্রতিক্রিয়া জানান। আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সম্ভাব্য স্থল আক্রমণের বিষয়ে ইরান প্রস্তুত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, এ ধরনের বক্তব্যকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না এবং এটিকে ‘অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব কাঠামো নিয়ে তার প্রশাসনের অসন্তোষ রয়েছে। তিনি জানান, ইরানে এমন একটি নেতৃত্ব দেখতে চান, যারা দেশের জনগণের জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে। তার মতে, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন এলে দেশটির অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তবে সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব সম্পর্কে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি। তিনি কেবল বলেন, এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যারা তার মতে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হতে পারেন। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করেন, যদিও সম্ভাব্য পরিবর্তনের রূপরেখা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রশাসন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর নীতি অনুসরণ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানের আঞ্চলিক ভূমিকাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌ চলাচল, মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক সংঘাতের বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক অভিযোগ ও পাল্টা অবস্থান দেখা যায়।

এ পরিস্থিতিতে ইরানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার কৌশল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে ধারণা করা হয়। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই আলোচনারই একটি ইঙ্গিত হতে পারে, যেখানে সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে বিকল্প কৌশলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ভারসাম্য, জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026