1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন ‎সুন্দরবন থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার সড়কে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটাতে হবে: রিজভী

দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের প্রস্তুতির কথা জানাল ইরান, নতুন অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে এখনো ব্যবহৃত হয়নি এমন উন্নত অস্ত্র মোতায়েন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর এক মুখপাত্র। একই সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান বর্তমানে কোনো যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করছে না এবং দেশের ভূখণ্ডে সম্ভাব্য স্থল সামরিক অভিযান মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।

সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েনি জানান, সম্ভাব্য পরবর্তী সামরিক অভিযানে ইরানের শত্রুপক্ষের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, নতুন ধরনের সামরিক উদ্যোগ ও উন্নত অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি চলছে, যার কিছু প্রযুক্তি এখনো বৃহৎ পরিসরে মোতায়েন করা হয়নি।

নায়েনি দাবি করেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘটিত ১২ দিনের সামরিক উত্তেজনার সময়ের তুলনায় বর্তমানে ইরানের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশটি সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে।

অন্যদিকে, এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান কোনো যুদ্ধবিরতির আবেদন জানায়নি। তিনি উল্লেখ করেন, যদি ইরানের ভূখণ্ডে কোনো স্থল সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়, তাহলে সেখানে মোতায়েন করা বিদেশি সেনাদের মোকাবিলার জন্য তেহরান প্রস্তুত রয়েছে।

মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা অব্যাহত থাকলেও এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট অবস্থান জানানো হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করছেন।

আরাগচি বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে তার প্রভাব কেবল সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং তা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। তার মতে, এমন সংঘাতে শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষই প্রকৃত বিজয় অর্জন করতে পারে না।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক প্রস্তুতি ও কৌশলগত অবস্থান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে পারস্য উপসাগর ও আশপাশের অঞ্চলে সামরিক শক্তির ভারসাম্য, জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর এ ধরনের পরিস্থিতি প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। দেশটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তেহরান বারবার দাবি করে আসছে যে তাদের সামরিক প্রস্তুতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিভিন্ন দেশ পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করছে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরানের সাম্প্রতিক বক্তব্য আঞ্চলিক উত্তেজনার মাত্রা এবং সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি সম্পর্কে নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে তা অনেকাংশে কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026