1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ ছয় বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা প্রত্যেক শিশুকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর চার দিনের সফরে যাচ্ছেন আমেরিকান তরুণদের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের দর্শকসংখ্যা বেড়েছে ‘২০ শতাংশ’ মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, পাকিস্তান এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একই স্থানে দুই দুর্ঘটনা, নিহত ১

বাংলাদেশ আগামী জুলাইতে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ কিস্তি পাওয়ার পথে : অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে পরবর্তী কিস্তি হিসেবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার প্রদানের বিষয়ে আগামী এপ্রিলে সংস্থার বোর্ড সভায় চূড়ান্ত আলোচনা হবে। সবকিছু নির্ধারিত থাকলে জুলাই মাসে এই ঋণের কিস্তি পাওয়া যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে জুলাইয়ে রিভিউ হবে। এর আগে এপ্রিলে ওয়াশিংটনে আইএমএফের স্প্রিং মিটিংয়ে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে। একই সঙ্গে আমরা বাজেট প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে নেব।”

অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জ্বালানি আমদানির জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং স্প্রিং মিটিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ হবে। তিনি দেশের চলমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, “আইএমএফের শর্তগুলো একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ধাপে ধাপে এগোতে হবে।”

আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বৈঠক শেষে বলেন, বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান ঋণ কর্মসূচি পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে।

অর্থমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জেও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত এবং শেয়ারবাজার এখনও দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, কর-জিডিপি অনুপাত কম, এবং এসব সমস্যার সমাধানের জন্য সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণের প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণে সরকার ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে থমকে থাকা উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পুনরায় সচল করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতিকে টেকসই অবস্থানে আনতে সংস্কার অপরিহার্য। ব্যবসা সহজীকরণ ও ব্যয় কমানোর জন্য ইতিমধ্যেই কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বাকি উদ্যোগগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে যুদ্ধজনিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশবাসীকে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, সরকার একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিস্থিতি উত্তরণ সম্ভব।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026