1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ ছয় বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা প্রত্যেক শিশুকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর চার দিনের সফরে যাচ্ছেন আমেরিকান তরুণদের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের দর্শকসংখ্যা বেড়েছে ‘২০ শতাংশ’ মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, পাকিস্তান এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একই স্থানে দুই দুর্ঘটনা, নিহত ১

চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬২ হাজার মেট্রিক টন গম পৌঁছেছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্বিতীয় ধাপে আমদানি করা ৬২,১৫০ মেট্রিক টন গম নিয়ে এমভি উবন নারী জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে। এর আগে প্রথম শিপমেন্টের মাধ্যমে দেশে ৫৮,৪৫৭ মেট্রিক টন গম আসে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে গম খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই ধাপের আমদানি করা গমের মধ্যে ৩৭,২৯০ মেট্রিক টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অবশিষ্ট ২৪,৮৬০ মেট্রিক টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে। চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সকল গম ইতোমধ্যেই দেশে পৌঁছেছে।

সরকারি গৃহীত নীতি অনুযায়ী, জি টু জি (সরকারি থেকে সরকারি) চুক্তির মাধ্যমে দেশের বাজারে গম সরবরাহ করা হচ্ছে। এরমধ্যে জি টু জি ১ মোতাবেক ২ লাখ ৩৭,৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি টু জি ২ মোতাবেক ২ লাখ ৩০,০৩৯ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য দেশের গম চাহিদা পূরণে অব্যাহত সহায়তা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশে মোট গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন। দেশের আভ্যন্তরীণ উৎপাদন মাত্র ১০ লাখ মেট্রিক টন, যা চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এই ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে অবশিষ্ট প্রয়োজনীয় গম বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আমদানিকৃত গম স্থানীয় খাদ্য ও শিল্প খাতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে, গম-ভিত্তিক খাদ্য দ্রব্যের উৎপাদন ও সংরক্ষণে সরাসরি প্রভাব পড়বে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে গম খালাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গোডাউন ও খাদ্য বিপণন কেন্দ্রে গুদামজাত করা হবে। এ ছাড়া, দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলকে পর্যায়ক্রমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি আমদানিকারকরা সমন্বিতভাবে কাজ করবেন।

এ ধরনের নিয়মিত আমদানির মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং গম ও গমজাত পণ্য বাজারে প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, গম আমদানির এই ধারাবাহিকতা দেশের খাদ্যশস্য ভাণ্ডারের মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যশস্যের দাম ওঠানামার প্রেক্ষাপটে সময়মতো আমদানি নিশ্চিত করা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমদানির পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের গম আমদানির চাহিদা ও সরবরাহ সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে। এর ফলে বাজারে অস্থিরতা কমে যাবে এবং ভোক্তাদের জন্য গমজাত খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026