1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা নিয়ে বিতর্ক, প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী নেতার সমালোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৩ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এক অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবন ও নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রশংসা করেন। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের এক নেতার প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে ব্যারিস্টার সালেহী প্রধানমন্ত্রীকে “ব্যতিক্রমী” উল্লেখ করে বলেন, তার পারিবারিক রাজনৈতিক পটভূমি ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তাকে অন্যান্য নেতাদের থেকে আলাদা করেছে। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর বাবা-মা উভয়েই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বে ছিলেন এবং তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্বাসন জীবন থেকে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা এশিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, নির্বাসন থেকে দেশে ফেরার পর অল্প সময়ের মধ্যেই সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের উদাহরণ ইতিহাসে খুব কম রয়েছে। তিনি এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক কয়েকজন নেতার উদাহরণ টেনে এনে তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরেন এবং প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রাকে ব্যতিক্রমী হিসেবে উল্লেখ করেন।

সংসদে প্রদত্ত বক্তব্যে তিনি বর্তমান সংসদের গঠন ও সদস্যদের পটভূমি নিয়েও মন্তব্য করেন। তার ভাষ্যমতে, এই সংসদে এমন সদস্য রয়েছেন যারা বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতি অতিক্রম করে নির্বাচিত হয়েছেন। কেউ কারাবাস থেকে মুক্ত হয়ে, আবার কেউ দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকার পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এতে বর্তমান সংসদের বৈচিত্র্য ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।

এছাড়া, তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও গণভোট প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি দল একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছিল এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গণভোট আয়োজনের সম্ভাবনার কথাও তৎকালীন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, গণভোটে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ সমর্থন জানিয়েছিলেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই গণরায়ের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ তোলেন এবং এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

অন্যদিকে, সংসদে দেওয়া এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) এক নেতা সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন এবং সংসদের সময় জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ব্যয় করা উচিত। তার মতে, ব্যক্তিগত প্রশংসার পরিবর্তে জাতীয় ইস্যুগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদের ভেতরে ও বাইরে এমন বক্তব্য ও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে সম্পর্ক, সংসদের কার্যকারিতা এবং জনমতের প্রতিফলন—এই তিনটি বিষয়ই এ ধরনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। একই সঙ্গে গণভোট, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নগুলোও নতুন করে আলোচনায় আসছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংসদীয় কার্যক্রমে গঠনমূলক বিতর্ক এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হলে রাজনৈতিক আস্থার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দলের অবস্থান ও বক্তব্য ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026