1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান পদত্যাগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৬ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

দুর্নীতির অভিযোগে চলমান তদন্তের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান (এমআর হাসান) মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন। প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছিল। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর বনানী ইউ লুপে ট্রাফিক সার্জেন্ট মহুয়ার বাবা মনোরঞ্জন হাজমকে গাড়ি চাপার ঘটনায় বিচারপতির ছেলে যুক্ত ছিলেন। ওই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হলেও পুলিশ মামলা দায়ের করেনি। অভিযোগ ছিল, বিচারপতি তার প্রভাব ব্যবহার করে থানার পুলিশকে ফোন করে ছেলেকে আসামি করা থেকে বিরত রেখেছেন এবং মামলা থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করেছেন।

বিচারপতি রেজাউল হাসান হাইকোর্ট বিভাগের কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্ব পালনকালে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে প্রধান বিচারপতির কাছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রায় পরিবর্তনের প্রমাণ রয়েছে। ২০২৩ সালের ৫ আগস্টের পর সুপ্রিম কোর্টের কিছু বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত শুরু হয়, যার মধ্যে এমআর হাসানও ছিলেন।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পায় এবং তাকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেয়। এই প্রেক্ষাপটে রেজাউল হাসান পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগের ফলে হাইকোর্টে তার পদ শূন্য হয়ে গেছে এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদত্যাগ বাংলাদেশে বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হবে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালত ও সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তৎপরতা বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ ঘটনায় দেশের বিচার ব্যবস্থা এবং উচ্চপদস্থ আদালতের কার্যকারিতা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন উঠেছে। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত ও ভবিষ্যতে আদালতের রায় এই ধরনের দুর্নীতি প্রতিরোধে কি ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026