1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৮ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ বলেছেন, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী ২০১২ সালে গুম হওয়ার পিছনে রাজনৈতিক ও কৌশলগত কারণ কাজ করেছিল। তিনি জানান, টিপাইমুখ বাঁধ ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়াই ইলিয়াস আলীকে লক্ষ্যবস্তু করার মূল কারণ ছিল।

জিজ্ঞাসাবাদে শেখ মামুন খালেদ আরও জানান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ইলিয়াস আলীর নিখোঁজকরণের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং এতে র‌্যাবও অংশগ্রহণ করে। ঘটনায় ডিজিএফআই ও র‌্যাবের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হয়েছে।

২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে ইলিয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত চালক নিখোঁজ হন। সে সময় ডিজিএফআই প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন শেখ মামুন খালেদ। বর্তমানে তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে রয়েছেন এবং ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জিজ্ঞাসাবাদে এক-এগারো সরকার এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও তথ্য প্রদান করছেন তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদের শুরুতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও পরে শেখ মামুন খালেদ স্বীকার করেছেন, গুম অভিযানে ডিজিএফআইয়ের দুজন মেজর প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিলেন। আরও কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা আগে থেকেই অভিযানের বিষয়ে অবগত ছিলেন। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, ডিজিএফআই প্রধান হিসেবে তার নির্দেশনাতেই পুরো অভিযান পরিচালিত হয় এবং ডিজিএফআই ও র‌্যাবের একটি বিশেষ দল এতে অংশগ্রহণ করে।

শেখ মামুন খালেদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ঢাকা সেনানিবাস থেকে উচ্ছেদের ঘটনাসহ অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয়ে তদন্তকারীদের কাছে তথ্য প্রদান করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রথম দফার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয় এবং পরে ৭ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করলে আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

একই সময় এক-এগারো সরকারের বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. আফজাল নাছেরকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকেও রিমান্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং তদারকি থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য দেশের নিরাপত্তা, রাজনৈতিক আন্দোলন ও সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026