1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুপ্রিম কোর্টে রাতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নারীসহ ৩ বিদেশির মৃত্যু, আহত ৩৬ নড়িয়ার ওসিকে হুমকির অভিযোগ, বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার বগা আমার গাড়িতে উঠেছে প্রমাণ করুন, রাজনীতি ছেড়ে দেব: মেয়র শাহাদাত ‘বগা সিটি করপোরেশনে এসেছিল- প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব’ রেখে গেছ অমর ইতিহাস: মেসির বিদায়ে রোনালদোর শ্রদ্ধার্ঘ্য | Boishakhi Online ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে, এমআরটি-২সহ ১৩ প্রকল্পে ৬৪৭ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ চায় সরকার অর্থনৈতিক সমীক্ষা ছাড়াই বিমান কেনার ধুম ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স পেল “বছরের সেরা অ্যামিউজমেন্ট পার্ক” বিভাগে বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু হলে নেতৃত্বে থাকতে পারেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সরাসরি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance। আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত একাধিক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্রগুলো জানায়, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে আলোচনায় অংশ নিতে পারেন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার। সম্ভাব্য এই কূটনৈতিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারণী মহলে ইতোমধ্যে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলকে সক্রিয় রাখছে।

সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার দায়িত্ব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার শীর্ষ কয়েকজন আস্থাভাজন উপদেষ্টার ওপর ন্যস্ত করেছেন। এই তালিকায় রয়েছেন স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রশাসনের অভ্যন্তরে তাঁদের ওপর প্রেসিডেন্টের আস্থা অত্যন্ত দৃঢ় বলে দাবি করা হচ্ছে।

গত শনিবার অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই বৈঠকের পরই কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং সম্ভাব্য একটি সমঝোতা কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা শুরু হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেই বৈঠকই পরবর্তী আলোচনার ভিত্তি তৈরি করেছে এবং বর্তমানে তা আরও বিস্তৃত আলোচনার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

সূত্রগুলো আরও জানায়, যুদ্ধ শুরুর আগ থেকেই জ্যারেড কুশনার মধ্যপ্রাচ্য সংক্রান্ত কূটনৈতিক আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতেও তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্টিভ উইটকফ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ইরানি পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন একটি উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি কমানো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত উত্তেজনা সাম্প্রতিক সময়ে আরও জটিল আকার ধারণ করেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক মহল বলছে, যদি দ্বিতীয় দফা আলোচনা বাস্তবায়িত হয়, তবে তা শুধু দুই দেশের সম্পর্কেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক জোট ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্যের ক্ষেত্রে এই আলোচনার ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

এদিকে, আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং উভয় পক্ষের প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী ধাপের অগ্রগতি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো সতর্ক করে বলেছে, আলোচনার সময়সূচি ও কাঠামো পরিবর্তনশীল এবং চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত অনিশ্চয়তা বজায় থাকবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সংলাপ সফল হলে তা দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সূচনা করতে পারে, যা ধাপে ধাপে উত্তেজনা হ্রাসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026