1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ঢাকা আসছে মার্কিন প্রতিনিধি দল

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই ঢাকা সফরে আসছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে এক সৌজন্য বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক বাধা দূর করা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং নীতিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠককালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের বর্তমান সংসদীয় কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদীয় কার্যক্রম অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এই স্থিতিশীলতা বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিশাল সুযোগ রয়েছে এবং দুই দেশের এই অংশীদারিত্ব উভয় পক্ষের জন্যই দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক কল্যাণ বয়ে আনবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সরকার একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি আরও জানান, দেশের আমদানি প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক ও সহজতর করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নতুন আমদানি নীতি আদেশ প্রণয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬’-এর খসড়া খুব দ্রুতই ব্যবসায়ী মহলের মতামতের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদান আরও গতিশীল করবে।

আলোচনায় দুই দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের পোশাক খাত, তথ্য-প্রযুক্তি এবং জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র নিয়ে কথা বলেন নেতৃবৃন্দ। মার্কিন প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের আসন্ন সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সংক্রান্ত বিশেষ কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষই এ সময় একমত পোষণ করেন যে, কৌশলগত এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং সামনের দিনগুলোতে বাণিজ্য ব্যবধান কমিয়ে আনতে যৌথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের এই সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে টিকে থাকার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় বাজারের সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য। ফলে এই সফরের মাধ্যমে শুল্ক সুবিধা ও বিনিয়োগ নীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে ইতিবাচক ফলাফল আশা করছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আসতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026