1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

জামালপুরে গৃহবধূকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

জামালপুরে এক গৃহবধূকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

সাজা প্রাপ্ত আসামিরা হলেন—বুলবুল আহমেদ (৪৫), কালাম মাক্কু (৫০) ও রুকু (৫৫)। রায় ঘোষণার সময় বুলবুল ও কালাম আদালতে উপস্থিত থাকলেও আসামি রুকু বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আদালত পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ১৪ মে দিবাগত রাতে জামালপুর সদর এলাকার হযরত শাহ জামাল (রহ.) মাজারের সামনে থেকে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অভিযুক্তরা। অপহরণের পর তাকে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আসামিরা ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক বিয়ের চেষ্টা করে এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। গৃহবধূ বিয়েতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী কোনোভাবে সেখান থেকে মুক্ত হয়ে বাড়িতে ফিরে তার স্বামীকে বিস্তারিত জানান। পরবর্তীতে ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি দায়ের হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত ভুক্তভোগী নারীসহ মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সাক্ষীদের জবানবন্দি এবং মামলার নথিপত্র ও ডাক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, নারীর মর্যাদা এবং নিরাপত্তা বজায় রাখা সমাজের প্রতিটি স্তরে অপরিহার্য। এই ধরনের নৃশংস অপরাধ সমাজিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করে এবং অপরাধীদের কঠোর সাজা প্রদানের মাধ্যমেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই রায় কার্যকর হলে দেশে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং বিচারপ্রার্থীদের আস্থা সুসংহত হবে। অন্যদিকে, দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে আপিল করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে সাজাপ্রাপ্ত উপস্থিত দুই আসামিকে কড়া পুলিশি পাহারায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামি রুকুকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026