1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

রামুতে ২০ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন কনস্টেবল আটক

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৮২ বার দেখা হয়েছে


অপরাধ ডেস্ক

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এ কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা চেকপোস্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ৮ এপিবিএনের কনস্টেবল সজিব বেপারীকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে মোট ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বলে জানা গেছে।

৩০ বিজিবি রামু ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ৮ এপিবিএনের কমান্ডিং অফিসার (সিও) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আটক কনস্টেবল সজিব বেপারী বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এরপর তিনি কীভাবে মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য যাচাইয়ের পর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, কক্সবাজারসহ পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা এসব এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে তা আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করা হয়।

আটক কনস্টেবলকে আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026