1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা ও মাথা বিচ্ছিন্ন করার প্রমাণ মিলেছে ফরেনসিক রিপোর্টে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

অপরাধ ডেস্ক

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার পূর্বে নির্মমভাবে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। একই সাথে অপরাধের আলামত গোপন করার উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ডের পর শিশুটির শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। ময়নাতদন্তের ফরেনসিক ও ডিএনএ প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর এই তথ্য জানা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আজ রবিবার ঢাকার আদালতে মামলার প্রধান দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করতে যাচ্ছেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৩ মে) সিআইডির পক্ষ থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে রামিসা হত্যা মামলার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়। এর পরদিন রবিবার (২৪ মে) চূড়ান্ত ফরেনসিক প্রতিবেদনটি বিশদভাবে বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শিশু রামিসাকে প্রথমে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। অপরাধের প্রমাণ ও আলামত আড়াল করার উদ্দেশ্যে ঘাতকেরা অত্যন্ত নৃশংসভাবে শিশুটির দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ রবিবারই আদালতে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট জমা দেওয়া হবে। তদন্তে অপরাধের সাথে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিহত রামিসার পিতা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান ক্ষোভ ও বিচারহীনতার শঙ্কা প্রকাশ করে দেশের প্রচলিত আইনে ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, অপরাধীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন মর্মান্তিক ও অমানবিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এদিকে শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে এক বক্তব্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান প্রশাসন নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ শূন্যসহনশীল নীতি (জিরো টলারেন্স) অবলম্বন করছে। সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে এবং দেশে আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে এই ধরনের অপরাধের বিচার দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা হবে। রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিদের আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের প্রচলিত আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার জন্য বিচারিক প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডিএনএ এবং ফরেনসিক রিপোর্টের অকাট্য প্রমাণ এবং দ্রুততম সময়ে চার্জশিট দাখিলের ফলে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে। এই ধরনের সংবেদনশীল মামলার ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে তা সমাজে শিশু নির্যাতন ও অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026