1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কঙ্গো গোলরক্ষকের অনিয়ম জেনেও ফিফার বিরুদ্ধে নীরব থাকার অভিযোগ বদরুন্নেসা কলেজে নানা আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন আন্তর্জাতিক অনুদান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রকল্প আহ্বান রসাটমের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাহাড়-সমতলের শিশুদের সমান সুযোগ চাইল শ্রাবস্তী চাকমা সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় বিঘ্ন; কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক? কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব করল বাংলাদেশ ব্যাংক, সেবা স্বাভাবিক করার নির্দেশ এমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা করতে চাই, যেটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বুধবারেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি সই করছে বিমান, চুক্তি হবে রেডিসনে

গোমাতার মর্যাদা সর্বজনীন, আলাদা ঘোষণার প্রয়োজন নেই: যোগী আদিত্যনাথ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গরুকে দেশের ‘স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এই প্রাণীকে নতুন করে জাতীয় পশু হিসেবে ঘোষণা করার কোনো প্রয়োজন নেই। সোমবার উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলায় আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সাথে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোরবানির পশুর ছবি বা ভিডিও প্রকাশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন তিনি।

বিজনোরের জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোরবানির ঈদের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গরুর ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা থেকে সবাইকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও তিনি সতর্ক করে দেন। যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেন, সনাতন ধর্মে গোমাতার যে স্থান ও মর্যাদা রয়েছে, তা ঐতিহাসিকভাবেই স্বীকৃত। ফলে এটিকে আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন করে জাতীয় পশু বা অন্য কোনো মর্যাদা দেওয়ার আবশ্যকতা নেই, কারণ এটি জনগণের কাছে ইতিমধ্যেই ‘স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’।

এদিকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাশাপাশি ভারতের প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও কোরবানির ঈদে গরু কোরবানি না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এই বিষয়ে তাদের নিজ নিজ অবস্থান ব্যক্ত করছে, যা সমগ্র ভারতের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারতের উত্তরপ্রদেশে বিগত কয়েক বছর ধরেই গো-রক্ষা এবং গো-মাংসের ওপর কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এর আগে রাজ্যটিতে অবৈধ কসাইখানা বন্ধ এবং গো-পাচার রোধে একাধিক কঠোর আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। ধর্মীয় সংবেদনশীলতা রক্ষা এবং উৎসবের দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলার সম্ভাব্য অবনতি রুখতেই রাজ্য সরকার এই ধরনের আগাম সতর্কবার্তা ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। তবে সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এ ধরনের বক্তব্য ও নিষেধাজ্ঞা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং সামাজিক বিভেদ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও এই বিষয়টি আসন্ন দিনগুলোতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026