1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

সব নাগরিকের স্বার্থ রক্ষায় আসছে নতুন বাজেট: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ৭১ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি প্রতিবেদক

সব নাগরিকের কল্যাণ ও সমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখেই এবারের বাজেটের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বাজেটের মূল অগ্রাধিকারগুলো স্পষ্ট করেন। অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিগত বছরগুলোর বাজেটে দেশের নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছে। এই বৈষম্য দূর করতে আগামী বাজেটে দরিদ্র, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং গৃহিণীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে সরকার আগামী অর্থবছর থেকে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতি নামক একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় কামার, কুমার, তাঁতি, ক্ষুদ্র কারুশিল্পী, থিয়েটারকর্মী ও সাংস্কৃতিককর্মীদের টেকসই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হবে। প্রান্তিক পর্যায়ের এসব পেশাজীবীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা, আধুনিক ডিজাইন সহায়তা, উৎপাদিত পণ্যের ব্র্যান্ডিং এবং বাজারজাতকরণে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

বাজেটের এই নতুন দিকনির্দেশনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি কেবল বড় বড় শিল্প-কারখানা কিংবা ঐতিহ্যগত খাত থেকে আসে না। সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কারুশিল্পসহ সৃজনশীল খাতগুলোও দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখার সক্ষমতা রাখে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও সৃজনশীল খাতকে বাজেটে প্রাধান্য দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ইতিবাচক। তবে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি কর্মসূচির সঠিক তদারকি এবং ঋণ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। আগামী দিনে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রেখে কীভাবে এই জনমুখী বাজেট বাস্তবায়ন করা হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026