1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কঙ্গো গোলরক্ষকের অনিয়ম জেনেও ফিফার বিরুদ্ধে নীরব থাকার অভিযোগ বদরুন্নেসা কলেজে নানা আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন আন্তর্জাতিক অনুদান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রকল্প আহ্বান রসাটমের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাহাড়-সমতলের শিশুদের সমান সুযোগ চাইল শ্রাবস্তী চাকমা সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় বিঘ্ন; কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক? কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব করল বাংলাদেশ ব্যাংক, সেবা স্বাভাবিক করার নির্দেশ এমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা করতে চাই, যেটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বুধবারেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি সই করছে বিমান, চুক্তি হবে রেডিসনে

আমেরিকা-ইরান শান্তি আলোচনায় সক্রিয় মোজতবা খামেনি: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে চলমান জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনি কেবল জীবিতই নন, বরং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান শান্তিচুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা প্রক্রিয়ায় তিনি ব্যাকস্টেজ থেকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। গত মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির সামনে দেওয়া এক শুনানিতে তিনি এই তথ্য জানান।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেট কমিটির সামনে উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক তথ্য অনুযায়ী এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে ক্রমশ সম্পৃক্ত হচ্ছেন। তবে তাকে এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো আলোচনা টেবিলে দেখা যায়নি। মূলত বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তিনি নিজের বার্তা ও নির্দেশনা পাঠাচ্ছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলার পর থেকে জনসমক্ষে না আসায় তার শারীরিক অবস্থা ও বেঁচে থাকা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল।

শুনানিতে মোজতবা খামেনির ভূমিকার পাশাপাশি তেহরানের ওপর আরোপিত মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন রুবিও। তিনি জানান, ইরানের ওপর থেকে যেকোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণের বিষয়টি সম্পূর্ণ শর্তসাপেক্ষ। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি ইরান পুরোপুরি খুলে দিলেও তেহরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাহার করা হবে না। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, নিষেধাজ্ঞা আরোপের মূল কারণ হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির বিরোধ নয়।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান যদি তাদের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি এবং উচ্চ-মাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম স্থায়ী ও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে সম্মত হয়, তবেই কেবল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান শান্তি আলোচনার টেবিলে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির এমন কিছু স্পর্শকাতর দিক নিয়ে কথা বলতে রাজি হয়েছে, যা অতীতে তারা কখনই করেনি। তবে এই নমনীয়তার অর্থ এই নয় যে একটি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি অবিলম্বে নিশ্চিত হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বাহিনী ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক আক্রমণ চালালে মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ শুরু হয়। এই হামলায় ইরানের সাবেক শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মোজতবা খামেনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলছে এবং পাকিস্তানসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে তেহরানের নেতৃত্ব সংকট এবং পারমাণবিক চুক্তির কঠোর শর্তাবলীর কারণে চূড়ান্ত কোনো সমাধানসূত্রে পৌঁছানো এখনও সম্ভব হয়নি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026