1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব করল বাংলাদেশ ব্যাংক, সেবা স্বাভাবিক করার নির্দেশ এমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা করতে চাই, যেটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বুধবারেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি সই করছে বিমান, চুক্তি হবে রেডিসনে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক শুরু ৮ অক্টোবর দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন ৪ বই: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অংশীদারত্ব জোরদারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজ চায় বাংলাদেশ মেসির বিদায়ী ম্যাচ আজ; বাংলাদেশ সময় কখন? মোবাইলে দেখবেন যেভাবে

নৌবাহিনীর পারমাণবিক সক্ষমতা জোরদারের ঘোষণা কিম জং উনের, পিয়ংইয়ং যাচ্ছেন শি জিনপিং

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৫০ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীর পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যুদ্ধজাহাজ ‘কাং কন’-এর একটি নৌ-পরিচালনা পরীক্ষা ও মহড়া তদারকি করতে গিয়ে তিনি এ নির্দেশনা দেন। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) বরাতে আজ শনিবার (৬ জুন) এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই সামরিক পরিদর্শনের মধ্যেই পিয়ংইয়ং ও বেইজিং যৌথভাবে ঘোষণা করেছে যে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী ৮ ও pointer ৯ জুন উত্তর কোরিয়ায় একটি রাষ্ট্রীয় সফর করবেন।

সামরিক পরিদর্শনের সময় উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন বলেন, নৌবাহিনীকে দ্রুত এমন একটি শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে, যা দেশের সামগ্রিক পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য অংশ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পানির ওপরে এবং নিচে শত্রুপক্ষকে মারাত্মক আঘাত হানতে সক্ষম একটি আধুনিক নৌবাহিনী গড়ে তোলা ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান পাঁচ বছর মেয়াদি প্রতিরক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে দেশটিতে ১০ হাজার টনি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ এবং গোপন আন্ডারওয়াটার বা সাবমেরিন অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, এই উচ্চপর্যায়ের সামরিক সফরে কিম জং উনের সঙ্গে দেশটির শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া তার কন্যা জু অ্যায়েও এই পরিদর্শনের সময় বাবার সঙ্গে ছিলেন। যে ‘কাং কন’ ডেস্ট্রয়ারটির কার্যক্রম কিম পরিদর্শন করেছেন, সেটির একটি পূর্ব ইতিহাস রয়েছে। গত বছরের মে মাসে ৫ হাজার টন ওজনের এই যুদ্ধজাহাজটির প্রাথমিক উৎক্ষেপণ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে আংশিক ডুবে গিয়েছিল। পরবর্তীতে সেটিকে মেরামত করে পুনরায় পানিতে নামানো হয় এবং বর্তমানে এটি চূড়ান্ত আধুনিকায়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই সামরিক তৎপরতা এবং চীনের প্রেসিডেন্টের আসন্ন সফরটির পেছনে গভীর ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে। বিশেষ করে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ধারাবাহিক শীর্ষ বৈঠক সম্পন্ন করার পরপরই পিয়ংইয়ং সফরে যাচ্ছেন। ২০১৯ সালের পর উত্তর কোরিয়ায় এটিই শি জিনপিংয়ের প্রথম সফর। এই সফরটি মূলত চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও সামরিক জোটকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে উত্তর কোরিয়া নিজেকে একটি ‘অপরিবর্তনীয়’ পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে। বর্তমান ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার পক্ষে হাজারো সেনা পাঠিয়ে এবং মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গড়ে তুলে কিম জং উন নিজের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছেন। এই পরিস্থিতিতে বেইজিংয়ের এই সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফরটি এশিয়ায় নতুন ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026