1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

নতুন অর্থবছরের বাজেটে ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের মর্যাদায় উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত ‘সংকট মুহূর্তের বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বিদ্যমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বিভিন্নমুখী ও সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর পুনরুজ্জীবনে এই নতুন প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে কভিড-পরবর্তী বৈশ্বিক মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নানাবিধ অর্থনৈতিক চাপের মুখে এই বিশাল অঙ্কের বরাদ্দ সংকট উত্তরণে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর যে মহাপরিকল্পনা সরকার হাতে নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে কাঠামোগত সংস্কার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনৈতিক রূপান্তরের পাশাপাশি সামাজিক খাতের উন্নয়নেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের আধুনিক স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে একটি সুনির্দিষ্ট ‘জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, যা আগামী বাজেটে প্রতিফলিত হবে। এর মাধ্যমে চিকিৎসা খাতের গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রের অংশগ্রহণ আরও জোরদার হবে।

উক্ত গোলটেবিল আলোচনায় দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা ও বাস্তবমুখী নীতিমালা গ্রহণের তাগিদ দেন। বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতে সরকারি অর্থায়ন ও ভর্তুকি বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়। বিশেষজ্ঞরা দেশের ক্রমবর্ধমান শিল্পায়নের গতি ধরে রাখতে একটি ‘শিল্পবান্ধব বাজেট’ প্রণয়নের পক্ষে মত দেন।

গোলটেবিল বৈঠকে জ্বালানি খাতের সংকট, বিশেষ করে তেল ও বিদ্যুৎ খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও পরামর্শ তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া দেশের চলমান পরিবেশগত সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানানো হয়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং আমদানি-রপ্তানি খাতের বিদ্যমান শুল্ক ও অসংগতি দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন আলোচকরা। সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের এই নতুন বাজেট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাগুলোর যথাযথ ও স্বচ্ছ বাস্তবায়ন জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026