1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী আজ বিশ্ব ডাক দিবস ট্যাক্স ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে ফের রমিজউদ্দিন-মাজম মানব পাচার নির্মূলে মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ: যুক্তরাষ্ট্র ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে সামাজিক পরিবর্তনও জরুরি : ববি হাজ্জাজ সৌদি আরবে বেসামরিক অবকাঠামোয় হুতিদের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শহীদ আবু সাঈদ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী প্রতীক: ত্রাণমন্ত্রী সৌদি আরবে হুতিদের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

গার্মেন্টস সেক্টরে নিয়োজিত ৪০ লাখ নারী দেশের অর্থনীতি সচল রেখেছেন: মঈন খান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

দেশের তৃণমূল পর্যায়ের নারীরাই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। সোমবার সকালে রাজধানীর বনানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) আয়োজিত ‘নেতৃত্ব ও প্রশাসনে নারী’ শীর্ষক এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়ে জাতীয় উন্নয়ন ও নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবদুল মঈন খান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীদের অবদানের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ নারী পোশাক শিল্প খাতে (গার্মেন্টস সেক্টর) সরাসরি কর্মরত থেকে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রেখেছেন। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান এই খাতে নারীদের অবদান অনস্বীকার্য হওয়া সত্ত্বেও জাতীয় ও সামাজিক জীবনের নানা ক্ষেত্রে এখনো নারীর পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তিনি টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি সব ক্ষেত্রে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া অন্যান্য আলোচক ও বিশেষজ্ঞরা দেশে সঠিক ও দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলার জন্য অংশীদারিত্বমূলক ব্যবস্থার ওপর জোর দেন। তাঁরা বলেন, প্রশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বে নারীর সংখ্যা বাড়াতে হলে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। কেবল সংখ্যাগত উপস্থিতি নয়, বরং নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই প্রকৃত ক্ষমতায়ন সম্ভব। এর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশকে আরও নারী-বান্ধব করার এবং নেতৃত্বের বিকাশে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের পরামর্শ দেন বক্তারা।

অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে নারীদের শ্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, প্রবাসী আয় এবং কৃষি খাতে নারীদের অবদান দৃশ্যমান। তবে কর্মক্ষেত্রে নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন, মজুরি বৈষম্য দূরীকরণ এবং নীতিনির্ধারণী শীর্ষ পদগুলোতে নারীদের সুযোগের অভাব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

আইসিএবি আয়োজিত এই সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি ও প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বেগবান হবে। রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরে বৈষম্যহীন পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হলে নারীরা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন বলে সম্মেলনে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026