1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কঙ্গো গোলরক্ষকের অনিয়ম জেনেও ফিফার বিরুদ্ধে নীরব থাকার অভিযোগ বদরুন্নেসা কলেজে নানা আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন আন্তর্জাতিক অনুদান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রকল্প আহ্বান রসাটমের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাহাড়-সমতলের শিশুদের সমান সুযোগ চাইল শ্রাবস্তী চাকমা সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় বিঘ্ন; কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক? কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব করল বাংলাদেশ ব্যাংক, সেবা স্বাভাবিক করার নির্দেশ এমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা করতে চাই, যেটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বুধবারেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি সই করছে বিমান, চুক্তি হবে রেডিসনে

ইরান ও ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ফিলিপাইনে পৃথক দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে ফিলিপাইনে আঘাত হানা তীব্র ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে মাঝারি মাত্রার একটি ভূকম্পন অনুভূত হলেও সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার সকালে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান ও কারমান প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, এই ভূকম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল দেশটির সারগাজ এলাকার কাছাকাছি ভূগর্ভে। ভূমিকম্পের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ইরানের এই অঞ্চলটিতে কোনো হতাহত কিংবা অবকাঠামোগত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং দুর্গম এলাকাগুলোতে অনুসন্ধান টিম পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, গত সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের সরাঙ্গানি প্রদেশ ও এর আশপাশের অঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। অত্যন্ত শক্তিশালী এই ভূকম্পনটি যখন আঘাত হানে, তখন সবেমাত্র দিনের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। বহু মানুষ কর্মস্থলে এবং শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিল। আকস্মিক এই ভয়াবহ বিপর্যয়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা।

ফিলিপাইনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ধসে পড়া বিভিন্ন ভবনের নিচে চাপা পড়ে ও ধ্বংসস্তূপের আঘাতে আহত হয়েছেন কয়েকশ মানুষ। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান যত এগোচ্ছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা তত জোরালো হচ্ছে।

ভূমিকম্পের তীব্রতায় দেশটির বিভিন্ন শহরের বহু বহুতল ভবন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি স্থাপনা ধসে পড়েছে। অনেক স্থানে রাস্তাঘাট ও সেতু ফেটে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোনে ধারণ করা বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, কম্পনের তীব্রতায় বহুতল ভবনগুলো বিপজ্জনকভাবে দুলছে এবং মুহূর্তের মধ্যে বেশ কিছু স্থাপনা ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে। আকস্মিক এই ধ্বংসযজ্ঞের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যা উদ্ধার তৎপরতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

ভূমিকম্পের পর পরই ফিলিপাইনের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সম্ভাব্য জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় সমুদ্র তীরবর্তী নিচু এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও পরবর্তীতে বড় ধরনের কোনো সুনামির খবর না পাওয়ায় সেই সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশটির সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল যৌথভাবে ধসে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে জরুরি অভিযান পরিচালনা করছে। দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি চিকিৎসা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং গৃহহীন হয়ে পড়া মানুষদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ফিলিপাইন সরকার উপদ্রুত অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026