1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত করার প্রস্তাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের অর্জিত সব ধরনের আয়কে সম্পূর্ণ করমুক্ত ঘোষণা করার পাশাপাশি এই খাত থেকে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট পুরোপুরি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে এই বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং তরুণ সমাজকে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পেশায় আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করতে সরকার এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিদ্যমান নীতিমালায় দেশে মূলত তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি খাতের নির্দিষ্ট কিছু ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া ছিল। তবে নতুন বাজেটে এই সুবিধার পরিধি আরও সুনির্দিষ্ট, স্পষ্ট ও সম্প্রসারিত করে সব ধরনের বৈধ ফ্রিল্যান্সিং আয়কে শতভাগ করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই আইনি সংস্কারের ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক আয় অবৈধ বা অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমের পরিবর্তে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কাজে প্রাতিষ্ঠানিক প্রেরণা জোগাতে সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েশন (যেমন—ভিডিও নির্মাণ, ব্লগিং, ডিজিটাল আর্ট ইত্যাদি) থেকে অর্জিত আয়কেও এবার করমুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বর্তমানে দেশের লাখ লাখ তরুণ বিভিন্ন বৈশ্বিক ও স্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল কাজ করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও দেশীয় অর্থ আয় করছেন। নতুন বাজেটে এই খাতকে ডিজিটাল অর্থনীতির একটি অবিচ্ছেদ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিচ্ছে সরকার।

বাজেট প্রস্তাবনায় ভ্যাট বা মূসক সংক্রান্ত নীতিমালায় বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার আভাস পাওয়া গেছে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রদেয় সেবার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য রয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে এই ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হতে পারে, যা এই খাতের উদ্যোক্তাদের পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করবে। এর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশীয় মেধার বিকাশ নিশ্চিত করতে স্টার্টআপ বা নতুন উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও ২০৩৫ সাল পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট এবং স্থাপনা ভাড়ার ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট মওকুফ করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মূলত একটি বৈশ্বিক মানের ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তরুণদের ডিজিটাল মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার পরিধি বাড়াতে স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি খাতের জন্য টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাবও এই বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত এই নীতিগত ও আর্থিক সহায়তার ফলে দেশের প্রযুক্তি খাত আরও বেশি বিনিয়োগবান্ধব হবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ একটি অন্যতম বড় ডিজিটাল হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026