1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার বাংলাদেশে পার্টনার স্কুলগুলোর সাফল্য ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিল ব্রিটিশ কাউন্সিল

মা-মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম — জেলা প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। গত শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই পুলিশ তৎপরতা শুরু করে এবং ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৪ জুন) রাতে চট্টগ্রামের পটিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত তেজু বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহতরা হলেন ওই এলাকার বাসিন্দা সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের কন্যা প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। প্রিয়ন্তী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। এই বর্বরোচিত হামলায় এনি বড়ুয়ার পাঁচ বছর বয়সী শিশু সন্তান পিয়াস বড়ুয়াও গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) রাসেল জানান, আনোয়ারার দুই নারীকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য এবং এর সাথে অন্য কারো সংৃশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অপরাধের রহস্য উদঘাটনে জেলা পুলিশের একাধিক দল মাঠপর্যায়ে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া জীবিকার তাগিদে চট্টগ্রাম শহরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন। কর্মস্থলে থাকার কারণে তিনি সাধারণত রাতে বাড়িতে থাকতেন না। ঘটনার রাতে সুজন বড়ুয়া বাড়িতে না থাকার সুযোগে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়। প্রতিবেশীরা গভীর রাতে বাড়িটি থেকে গোঙানির শব্দ ও চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনাস্থলেই এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার মৃত্যু হয়। শিশু পিয়াসকে রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

স্থানীয়দের ধারণা, পূর্ব শত্রুতা বা পারিবারিক কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বলা যাচ্ছে না। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো চেনামতি এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানা গেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026