1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী আজ বিশ্ব ডাক দিবস ট্যাক্স ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে ফের রমিজউদ্দিন-মাজম মানব পাচার নির্মূলে মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ: যুক্তরাষ্ট্র ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে সামাজিক পরিবর্তনও জরুরি : ববি হাজ্জাজ সৌদি আরবে বেসামরিক অবকাঠামোয় হুতিদের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শহীদ আবু সাঈদ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী প্রতীক: ত্রাণমন্ত্রী সৌদি আরবে হুতিদের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

করোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণা সাহাবউদ্দিন মেডিক্যালে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ১৫০ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই কভিড-১৯ পরীক্ষা ও  র‌্যাপিড কিট দিয়ে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করে আসছিল রাজধানীর গুলশান-২-এ অবস্থিত সাহাবউদ্দিন মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতাল। অথচ তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় অনুমোদন বাতিল করা হয়েছিল।

আজ রবিবার বিকেলে হাসপাতালটিতে অভিযান শুরু করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান চলাকালে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম বলেন, হাসপাতালটি অনুমোদন ছাড়াই র‌্যাপিড কিট দিয়ে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করছিল। এ ছাড়া তারা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা করেও নেয় বলে অভিযোগ পেয়েছি।

তিনি বলেন, হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আমরা তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় এই অনুমোদন বাতিল করা হয়। এর পরও তারা গোপনে কভিড-১৯ পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা বাইরের রোগীদেরও টেস্ট করেছে। এই টেস্টগুলো তারা ডিভাইসের মাধ্যমে করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সেই ডিভাইস ব্যবহারের অনুমোদন নাই। আর যেসব রিপোর্ট দিয়েছে তা সবই ভুয়া।

দ্বিতীয় অভিযোগ হলো- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু পরীক্ষা বাইরের অন্যান্য হাসপাতাল থেকে করে তা নিজেদের হাসপাতালের প্যাডে লিখে রোগীদের দিয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগ হলো- তারা কিছু প্রোডাক্ট যেমন-মাস্ক, গ্লাভস-এগুলো তারা একের অধিকবার ব্যবহার করছে। এগুলো মূলত ওয়ানটাইম ইউজেবল। কিন্তু তারা এগুলো বারবার ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, আমরা পুরো হাসপাতালটিতে অভিযান পরিচালনা করছি। হাসপাতালের ঔষধাগারেও অভিযান চলছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026