1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার বাংলাদেশে পার্টনার স্কুলগুলোর সাফল্য ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিল ব্রিটিশ কাউন্সিল যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে

২৮ মামলার আসামি মাদক কারবারি লালন গ্রেফতার, পাঠানো হলো কারাগারে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে ২৮টি মাদক মামলার আসামি ও চিহ্নিত মাদক কারবারি মো. লালনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পল্টন থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী এই গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত লালনকে গতকাল রবিবার আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পল্টন থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পল্টন জাতীয় স্টেডিয়ামের ৪ নম্বর গেইট সংলগ্ন এরশাদ গলিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লালন তার সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে পুলিশ ওই পরিত্যক্ত ব্যাগটি তল্লাশি করে ৯ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা এবং ৪ গ্রাম ওজনের ২০৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করে। একই সাথে মাদক বিক্রির নগদ ২১ হাজার ৬০০ টাকা এবং একটি পেনড্রাইভ জব্দ করা হয়। এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক লালনকে গ্রেফতারে পুলিশের অনুসন্ধান জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকা থেকেই তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত লালন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তার মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্কের কথা স্বীকার করেছে। সে জানায়, তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এবং কয়েকজন সহযোগীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চক্রের মাধ্যমে সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাদক সংগ্রহ করত। পরবর্তীতে এসব মাদক পল্টন ও মতিঝিলসহ রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হতো। বিশেষ করে জাতীয় স্টেডিয়াম ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে তরুণ সমাজকে লক্ষ্য করে এই চক্রটি মাদক বিক্রি করত বলে তথ্য মিলেছে।

পল্টন থানার নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, লালন রাজধানীর একজন তালিকাভুক্ত পেশাদার মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ২৮টি মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। পুলিশ জানায়, গত ছয় মাসের মধ্যে সে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আরও দুবার গ্রেফতার হয়েছিল। তবে আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর ও অল্প সময়ের মধ্যে জামিনে মুক্ত হয়ে সে পুনরায় একই অপরাধে লিপ্ত হয়। জামিনে বেরিয়ে বারবার মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার এই প্রবণতা স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, লালনের মতো চিহ্নিত ও বারবার অপরাধে জড়িয়ে পড়া মাদক কারবারিদের গ্রেফতারের ফলে পল্টন ও স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় মাদক কেনাবেচা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। তবে এই চক্রের সাথে জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান নিশ্চিত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীর অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিশেষজ্ঞরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026