1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যুব এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের খেলা কবে? বীরগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল মেসির বিদায়ে কঠিন পরীক্ষায় আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল-বাণিজ্য’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ দুই মাসের মধ্যে এক হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির বিদেশফেরতদের নতুন জীবন গড়তে সরকার ও জাতিসংঘের ৩০ মাসের কর্মসূচি দিল্লিতে আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বহুমুখী উদ্যোগ, নিয়োগ পাচ্ছেন ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৬ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের প্রবণতা কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) বাড়াতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করা সম্ভব হলে নবজাতক জন্মের পরপরই অপরিহার্য পুষ্টিগুণসম্পন্ন শালদুধ পাবে, যা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও শারীরিক-মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘মানবিক সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও দক্ষতা টিকিয়ে রাখা (স্প্ল্যাশ)’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারের এসব উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বহু নবজাতক জন্মের পর পরই মায়ের শালদুধ পানের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, শালদুধ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রথম প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এই সিজারিয়ান সংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাব থেকে প্রসূতি ও নবজাতকদের রক্ষা করতে স্বাভাবিক প্রসবের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মাতৃ ও নবজাতকের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা আরও প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে সরকার বড় ধরনের জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য খাতের সেবার মান বাড়াতে মাঠপর্যায়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিশাল জনবলের মধ্যে প্রায় ৮০ হাজারই থাকবেন নারী কর্মী। প্রসূতি ও নবজাতক সেবার মান বাড়াতে তাঁদের একটি বড় অংশকে দক্ষ কেয়ারগিভার ও মিডওয়াইফ (দাই) হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তাঁরা তৃণমূল পর্যায়ে সরাসরি গর্ভবতী নারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রসব-পূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান করবেন।

জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিবরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ও উপজেলা পর্যায়ের নারীদের সুরক্ষায় স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যানসার স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস সেবা বাড়ানো হচ্ছে। এ ছাড়া জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও কার্যকর করতে মাঠপর্যায়ে বিশেষ তদারকি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মানবিক সংকটের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিশুদের শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026