1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বীরগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল মেসির বিদায়ে কঠিন পরীক্ষায় আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল-বাণিজ্য’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ দুই মাসের মধ্যে এক হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির বিদেশফেরতদের নতুন জীবন গড়তে সরকার ও জাতিসংঘের ৩০ মাসের কর্মসূচি দিল্লিতে আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ এক কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ক্যান্সার চিকিৎসায় গতি আনতে আইএনএমপি ও জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের সমঝোতা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ ডেস্ক

দেশের ক্যান্সার চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করা, সেবার মানোন্নয়ন এবং চিকিৎসার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিক্যাল ফিজিক্স (আইএনএমপি) এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয়।

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন এবং আইএনএমপি, এইআরআই-এর পক্ষে পরিচালক মো. সেলিম রেজা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের মূল লক্ষ্য হলো ক্যান্সার রোগীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় সমন্বিত সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা। চুক্তির শর্তানুযায়ী, উভয় প্রতিষ্ঠান রেডিয়েশন অনকোলজি সেবা, মেডিক্যাল ফিজিক্স, গুণমান নিশ্চিতকরণ (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স), যৌথ গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে একসাথে কাজ করবে।

বর্তমানে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সারা দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসার জন্য ভিড় করেন। রোগীর চাপের তুলনায় আধুনিক যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা ও ব্যবস্থাপনাগত জটিলতার কারণে রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয়। এই দীর্ঘসূত্রতা অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসার কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় এবং শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তি বাড়ায়। নতুন এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সম্পদ ও দক্ষ জনবলকে কাজে লাগিয়ে এই অপেক্ষমাণ তালিকার চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আইএনএমপি-এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের চিকিৎসা অবকাঠামোর সমন্বয়ে রোগীরা এখন থেকে আগের চেয়ে দ্রুততম সময়ে উন্নত নিউক্লিয়ার মেডিসিন সেবা পাবেন। এছাড়া, নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং নিবিড় থেরাপিউটিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও এই সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোগীদের দ্রুত সেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, ফলে বিদ্যমান সরকারি হাসপাতালের ওপর চাপের মাত্রাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দুটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন সমন্বয় কেবল সেবার মানই বাড়াবে না, বরং চিকিৎসা প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবে। উভয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, এই সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের ফলে দেশের সামগ্রিক ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় একটি ইতিবাচক ও টেকসই পরিবর্তন আসবে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মঈনুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানের বক্তারা এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী অভিহিত করে আশা প্রকাশ করেন যে, এর সুফল দ্রুতই তৃণমূল পর্যায়ের রোগীরা ভোগ করতে পারবেন।

এই যৌথ উদ্যোগকে জাতীয় পর্যায়ে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসার আধুনিকায়নে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য খাতের নীতিনির্ধারকরা। চুক্তির শর্তগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা সেবাকে আরও বিকেন্দ্রীকরণ ও আধুনিক করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও অনুষ্ঠানে আলোচনা করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026