1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বীরগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল মেসির বিদায়ে কঠিন পরীক্ষায় আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল-বাণিজ্য’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ দুই মাসের মধ্যে এক হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির বিদেশফেরতদের নতুন জীবন গড়তে সরকার ও জাতিসংঘের ৩০ মাসের কর্মসূচি দিল্লিতে আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ এক কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় ইউএন উইমেনের আরও জোরালো সহযোগিতা চান অর্থ উপদেষ্টা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বৈশ্বিক সংঘাত, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশে নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। গতকাল বুধবার ঢাকায় জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব এবং ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাদজাই গুম্বোনজভান্দারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট, লিঙ্গ সমতা এবং নারীকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১২ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদে এই বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএন উইমেনের আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসন-পরবর্তী সময়ে রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুরা যেন সেখানে নিরাপদ জীবনযাপন, মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ পায়, সে বিষয়ে বিশ্ব সংস্থার সহযোগিতা চান।

বৈঠকে উপদেষ্টা দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বহুমাত্রিক প্রভাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আর্থিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর ঋণশর্তের কারণে অনুদান ও স্বল্পসুদে অর্থায়নের সুযোগও আগের চেয়ে সীমিত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশে নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করতে ইউএন উইমেনের বর্তমান সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, দেশের নারীদের স্বাবলম্বী ও সুরক্ষিত করতে সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা। এসব পদক্ষেপ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারীদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

লিঙ্গ সমতার অগ্রগতিতে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সাফল্যের প্রশংসা করে ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাদজাই গুম্বোনজভান্দা বলেন, বাংলাদেশের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্যোগটি একটি অত্যন্ত উদ্ভাবনী নারীকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি। সম্প্রতি তাঁর কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে লিঙ্গ সমতা অর্জন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএন উইমেনের অব্যাহত অংশীদারিত্ব ও সব ধরনের সহযোগিতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026