1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

পেরুর জুনিনে জোড়া ভূমিকম্পে ৫ জনের মৃত্যু, গৃহহীন তিন শতাধিক

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পেরুর রাজধানী লিমার পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকা জুনিনে আঘাত হানা পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও ২১ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি হারিয়ে প্রায় তিন শতাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। দেশটির জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার রাতে আঘাত হানা ভূমিকম্প দুটি ওই অঞ্চলের অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.১ এবং পরবর্তীটির মাত্রা ছিল ৩.৭। ভূকম্পন দুটির উৎপত্তিস্থল তুলনামূলক অগভীর হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে। প্রথম ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪ কিলোমিটার এবং দ্বিতীয়টির ১৮ কিলোমিটার গভীরে। তবে ইউরোপীয়-মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.৬ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য দিয়েছিল।

পেরুর জাতীয় সিভিল ডিফেন্স ইনস্টিটিউটের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, দুর্যোগের ফলে ওই এলাকায় অন্তত ৪৮টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে এবং আরও ১৮টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি ধসে পড়ার কারণে প্রায় ৩০০ জন মানুষ এখন গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর অধিকাংশ ঘরবাড়ি স্থানীয়ভাবে তৈরি মাটির ইট বা ‘অ্যাডোব’ দিয়ে নির্মিত। শক্ত কাঠামো না থাকায় এবং ভূমিকম্পের তীব্রতায় এই মাটির ঘরগুলো মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়ে, যা প্রাণহানির সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। চোঙ্গোস বাজো এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাদের বসতভিটা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ওই অঞ্চলে এমন মাটির তৈরি বহু ঘরবাড়ি মাটির সাথে মিশে গেছে।

পেরু ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অঞ্চলে অবস্থিত। দেশটি ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’ বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিনয় বলয়ের অন্তর্ভুক্ত। ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী, এই অঞ্চলে বিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। টেকটোনিক প্লেটের ক্রমাগত সক্রিয়তার কারণে পেরুতে প্রায়ই মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। জুনিনের এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ তৎপরতা সমন্বয়ের জন্য স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং গৃহহীনদের পুনর্বাসনকে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026