1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ চালু করা হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ কর্মসূচি চালু করে শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রথম পর্যায়ে কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রবিবার সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এসব কথা জানানো হয়। বৈঠকে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

বৈঠককালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল কর্মসূচির সম্প্রসারণ, পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা গরম খাবার চালুর সম্ভাবনা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া কর্মসূচির কার্যকর পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক তদারকি প্রক্রিয়া জোরদারে ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা কাঠামোর সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন উভয় প্রতিনিধি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কুল মিল ব্যবস্থার সফল অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, শহর ও গ্রামের আর্থসামাজিক ব্যবস্থার ভিন্নতা বিবেচনায় রেখে পৃথক ও প্রয়োজনভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করেন প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে কৌশল নির্ধারণ করা হলে কর্মসূচির সুফল প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা জানান, বিদ্যালয়কেন্দ্রিক খাদ্য কর্মসূচি শুধু শিশুদের দৈহিক পুষ্টি নিশ্চিত করে না, বরং শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বাড়ানো, প্রাথমিক পর্যায় থেকে ঝরে পড়ার হার কমানো এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গঠনে এটি বিশ্বজুড়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘স্কুল গার্ডেন’ বা বিদ্যালয় বাগান, পুষ্টিবিষয়ক শিক্ষা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত উপায়ে স্কুল মিল পরিচালনা করে ইতিবাচক সাফল্য পাওয়ার কথা বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।

একই সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যমান ‘সমন্বিত প্রাথমিক শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনা’ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরিতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বচ্ছতা জোরদার ও মাঠপর্যায়ের নজরদারি জোরদার করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানানো হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026