1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমেরিকান তরুণদের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের দর্শকসংখ্যা বেড়েছে ‘২০ শতাংশ’ মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, পাকিস্তান এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একই স্থানে দুই দুর্ঘটনা, নিহত ১ নোবেল ইতিহাসে ক্যুরি পরিবারের অনন্য রেকর্ড শাহজালালে ৩ যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দ জোয়ারের সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই করে টিকে থাকে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীরা দেশের ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম সেবা বন্ধ, জানে না বাংলাদেশ ব্যাংক বিদায়ী ম্যাচে মেসির সামনে বিশ্ব রেকর্ডের হাতছানি

নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বা সংগঠন ছাড়া রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে কোনো বাধা নেই

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪২ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বা সংগঠন ব্যতিরেকে যেকোনো রাজনৈতিক দল স্বাধীনভাবে সভা-সমাবেশ করতে পারবে এবং এতে সরকারের কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকারও দেশের সব নাগরিকের রয়েছে।

সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিগত সরকারের আমলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়নের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময় কথা বলার অপরাধে লেখক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের নির্বিচারে গ্রেপ্তারের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, বর্তমান সরকার সেই দমনপীড়নের পথ থেকে সম্পূর্ণভাবে বের হয়ে এসেছে।

অনুষ্ঠানে বিগত ছয় মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও অপরাধের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আইনমন্ত্রী দাবি করেন, এই সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া, মিরাজ শেখ গুমের অভিযোগের বিষয়ে কোস্টগার্ডের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বর্তমানে তদন্ত চলছে উল্লেখ করে তিনি জানান, যেকোনো গুমের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তে রাষ্ট্র সব সময় ভিকটিম পরিবারের পাশে রয়েছে।

গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইন এবং মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন নিয়ে চলা বিভিন্ন সমালোচনার জবাব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিগত খসড়া আইনগুলোতে বেশ কিছু অস্পষ্টতা ছিল। জনস্বার্থে এবং আইনের কার্যকারিতা বাড়াতে তা গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং আইনগুলো নতুনভাবে সংসদে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত বা বিলম্বিত করছে বলে যে প্রচার চালানো হচ্ছে, তা সঠিক নয়।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে গুম বা বলপূর্বক অন্তর্ধানের অভিযোগ উত্থাপিত হলে মানবাধিকার কমিশনকে তা স্বাধীনভাবে তদন্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার সময় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কারের রূপরেখা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রণীত জুলাই সনদের মূল চেতনার আলোকে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যদি কোনো সুনির্দিষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব আসে, তবে তা আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনা করবে সরকার। বিগত ১৭ বছরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক গায়েবি ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে আইনমন্ত্রী জানান, বর্তমান বিচার বিভাগের ওপর সরকারের কোনো ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপ নেই। বিচার ব্যবস্থার কাঠামোগত উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা আনতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ নিয়েও বর্তমানে নিবিড় যাচাই-বাছাই চলছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতীতের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ঘটে যাওয়া খুন, গুম এবং ধারাবাহিক রাজনৈতিক মামলার নেতিবাচক বৃত্ত থেকে বেরিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মুক্ত সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আইনমন্ত্রী।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026