1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

গুম-খুন ও জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে
 বাংলাদেশ ডেস্ক
গুম ও খুনের শিকার এবং ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের ৭৪ জন সদস্যকে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়োগপত্রগুলো তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের মধ্য থেকে ১০ জনের হাতে প্রতীকীভাবে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন গুমের শিকার ইফতেখার আহমেদ দিনারের ভাই ইশফাক আহমেদ, নুরুজ্জামান জনির ভাই মনিরুজ্জামান হীরা, আনোয়ার হোসেন মাহবুবের ভাই আনান হোসেন নূর, সেলিম রেজা পিন্টুর ভাই হাসনাইন রেজা, এবং খালেদ হোসেন সোহেলের স্ত্রী শাম্মী সুলতানা।
এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে আহত দৃষ্টিশক্তিহীন যোদ্ধা আলাল আহমেদ, শহীদ আলভীর বাবা মো. আবুল হোসাইন, শহীদ আহনাফের মা জারতাজ পারভীন, আহত যোদ্ধা কাজী সাইমুম সিরাজ এবং ইসরাফিল ইসলামের ভাই মাহবুব আলমও নিয়োগপত্র লাভ করেন। নিয়োগপত্র প্রাপ্তির পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং একই সঙ্গে অতীতে সংঘটিত গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
রাজনৈতিক অস্থিরতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দীর্ঘমেডিকাল পুনর্বাসন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধরনের কল্যাণমুখী পদক্ষেপ ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সমাজে পুনর্বাসিত হতে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026