1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ ডেস্ক
দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও বিভিন্ন সময়ে গুম-খুনের শিকার ব্যক্তি এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সীমিত সম্পদের মধ্যেও এসব পরিবারের পুনর্বাসন ও কল্যাণে সরকারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার পরিবার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জন সদস্যের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশে থাকার এ আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও সরকার এই পরিবারগুলোর পাশে অতীতেও ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও সব সময় পাশে থাকবে। আজকের এই অনুষ্ঠানটিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজ আমরা এমন কিছু মানুষকে স্মরণ করছি, যাদের আজ আমাদের মাঝে থাকার কথা ছিল, কিন্তু দুঃখজনকভাবে তারা নেই। তাদের এই মহান ত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশের জনগণ ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি লাভ করেছে।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজ যারা আমাদের মধ্যে অনুপস্থিত তারা কোথায় কী অবস্থায় আছেন, একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন। আমাদের উচিত তাদের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা, যাতে আল্লাহ তাদের ভালো অবস্থায় রাখেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাত্তোর বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মদানকারীদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন সময়ে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিবর্গ এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্তদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল, বর্তমান সরকার তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হলেও সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বড় কিছু অর্জন করতে গিয়ে যারা বড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের অনেকেই আজ আমাদের মাঝে নেই। যারা বেঁচে আছেন, তারা দেশের মানুষের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমান সরকার তাদের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে। সংগ্রামীদের এই আত্মত্যাগকে সরকারের কাজের মূল প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকে বলতে পারেন সরকার এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে; কিন্তু প্রকৃত অর্থে এই ত্যাগ, সমর্থন ও সহযোগিতার কারণেই সরকার পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার সাহস পাচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোই সরকারের শক্তি ও উদ্দীপনার মূল উৎস।
শহীদ পরিবারের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় এসব পরিবার যেন উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতা ও উৎসাহ অব্যাহত রাখে। এর মাধ্যমে শহীদসহ সকল আত্মত্যাগী গণতান্ত্রিক যোদ্ধাদের কাঙ্ক্ষিত দেশ ও জাতি গঠনের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য রাখেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। এই নিয়োগপত্র বিতরণের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সংগ্রাম লাঘবের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হলো বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026