1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

রেকর্ড সৃষ্টিকারী এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতি: ইকুয়েডরে জরুরি অবস্থা জারি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অতিপ্রবল হতে পারে এমন ‘এল নিনো’ জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে ল্যাটিন আমেরিকার সর্বশেষ দেশ হিসেবে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা বা রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইকুয়েডর। দেশটির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সতর্কাবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার দেশটির রাজধানী কিটো থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানানো হয়, চলতি বছরের এল নিনো ইতোমধ্যে মধ্য আমেরিকায় তীব্র খরা এবং ইন্দোনেক্ষিয়ায় দাবানলের প্রকোপ বাড়িয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই এল নিনো পরিস্থিতি তার সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছাতে পারে, যার প্রভাবে আগামী ২০২৭ সালে বিশ্বে তাপমাত্রা আরও রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেতে পারে।
ইকুয়েডরের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দেশজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারির ফলে জরুরি কমিটিগুলোকে অবিলম্বে সক্রিয় করা হয়েছে। এসব কমিটির মূল দায়িত্ব হবে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করা। বিশেষ করে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় আমাজন অববাহিকায় তীব্র খরা ও দাবানল ছড়িয়ে পড়ার বড় ধরনের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ইতিমধ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী মৎস্য শিকার খাতও এল নিনোর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছে।
এল নিনো হলো একটি স্বাভাবিক জলবায়ু প্রক্রিয়া, যার প্রভাবে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহের গতিপথ, বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এবং বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক বিন্যাস সম্পূর্ণরূপে বদলে যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের এই আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও বিচরণ এবং নির্দিষ্ট প্রজাতির পাখির পরিযান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
ইকুয়েডরের পাশাপাশি ল্যাটিন আমেরিকার অন্যান্য দেশগুলোতেও এল নিনোর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর এর আগেই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এছাড়া ভৌগোলিক দিক থেকে ইকুয়েডরের দক্ষিণে অবস্থিত পেরুও তাদের এক-তৃতীয়াংশ শহরে একই কারণে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। পেরু সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, চরম তাপমাত্রা ও অনাবৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে ভবিষ্যতে দেশটিতে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। আন্তর্জাতিক আবহাওয়া গবেষকদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির এই ধারায় এল নিনোর মতো চরম আবহাওয়াগুলো আগামী দিনে আরও ঘনঘন এবং শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও জনজীবনকে হুমকির মুখে ফেলবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026