1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলায় ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার এম/টি কায়লো ডুবে গেছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক কমান্ড সেন্টকমের পরিচালিত হামলায় ওমান উপসাগরে ইরানের একটি বিশালাকৃতির তেলবাহী ট্যাংকার ‘এম/টি কায়লো’ ডুবে গেছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় পরিচালিত এই সামরিক অভিযানে ট্যাংকারটি ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, গত শনিবার মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্স (আইআরজিসি) ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ওই ব্যর্থ হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করে। অভিযانের অংশ হিসেবে ওমান উপসাগরে থাকা খালি তেলবাহী ট্যাংকার ‘এম/টি কায়লো’ (যা নক্সেন নামেও পরিচিত)-কে লক্ষ্য করে একাধিক স্থানে আঘাত হানেন মার্কিন সেনারা। এর ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জাহাজটি ধীরে ধীরে সাগরে ডুবে যায়। এই হামলা সম্পর্কিত একটি ভিডিওচিত্রও প্রকাশ করেছে সেন্টকম। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, ট্যাংকারটির ক্রুদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরই এটিতে আক্রমণ চালানো হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান দীর্ঘমেয়াদী সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নতুন করে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে। পরবর্তীতে হরমুজ প্রণালী ও এর আশেপাশের জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং সামরিক উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘাত চলে আসছে।
মার্কিন সেন্টকমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্সের অর্থায়নে পরিচালিত একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের অংশ। এদিকে এই ঘটনার পর আঞ্চলিক জলসীমায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026