1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে ঝুলছিল নারীর রক্তাক্ত লাশ, মিলেছে রক্তমাখা ছুরি বাংলাদেশকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় কানাডা বিশ্ব বসতি দিবস: সর্বজনীন বাসস্থান ও টেকসই নগরায়ণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক জুনিয়র টেনিস টুর্নামেন্ট শুরু মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: হাসানুল হক ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’ ঢাকার আশেপাশে সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তুলতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ৯ তলা থেকে শিক্ষার্থীর লাফ, টিনের চালায় পড়ায় বাঁচলেন সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা ছাড়িয়ে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকারও বেশি। ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ দশমিক ১৯ টাকা। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। রবিবারে অনুষ্ঠিত এই সংসদীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সংসদে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ দেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের বর্তমান ও আগের পরিস্থিতি এবং সরকারের ঋণ কমানোর পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের সামগ্রিক ঋণ পরিস্থিতি এবং এর পেছনের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচকের বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি জানান, ক্রমবর্ধমান সরকারি উন্নয়ন ব্যয় ও বাজেটের ঘাটতি পূরণে দেশি ও বৈদেশিক উৎস থেকে নেওয়া ঋণের কারণে মাথাপিছু এই ঋণের পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে।
ঋণের বোঝা কমাতে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিকে একটি টেকসই কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে বর্তমান সরকার বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরও বেশি সুশৃঙ্খল ও পরিবীক্ষণমূলক করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কর আদায়ের আওতা বৃদ্ধি এবং অনুৎপাদনশীল খাতের ব্যয় সংকোচন না করলে এই ঋণের চাপ ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
এদিকে সংসদ অধিবেশনে দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্য এবং খেলাপি ঋণের একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের অপর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি জানান, দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে বর্তমানে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। গত ৩০ জুনের হালনাগাদ হিসাব পর্যালোচনা করে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বাধিক খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে। ব্যাংকটিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এছাড়া অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯ হাজার ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫ হাজার ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
তালিকায় থাকা বিশেষায়িত ও অন্যান্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার ১৩১ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি বা বিডিবিএলের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার ৮৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বলে জানানো হয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোতে এই বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ দেশের পুরো ব্যাংকিং খাতের তারল্য এবং সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এই খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ এবং আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা না হলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026