1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার বাংলাদেশে পার্টনার স্কুলগুলোর সাফল্য ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিল ব্রিটিশ কাউন্সিল যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে

একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন বাংলাদেশের যে ক্রিকেটার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়জুড়েই শুধু ক্রিকেট আর ক্রিকেট। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফাহিম মুনতাসির নামটা পরিচিত না হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিষেক টেস্টের সময়টা সবারই জানান। ২০০০ সালে সেই টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। খ্যাতি ছিল অফ স্পিনার হিসেবে। এবার এই প্রজন্মের কাছেও সহজ হয়ে গেল ফাহিম মুনতাসিরের পরিচয়। তিনি অধিক পরিচিত ছিলেন সুমিত নামে।

তবে তাকে নিয়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- জন্ম থেকেই তিনি একটি কিডনি নিয়েই এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন। ক্রিকেটের মতো শারীরিক কসরতের খেলায় একটি কিডনির অভাব তিনি কখনো বুঝতেই পারেননি। এর চেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরে যাওয়ার ২১ বছর পর জানতে পারেন যে তার একটি কিডনি নেই।

১৯৯৮ সালের অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে প্লেট চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ যুব দলের সদস্য ছিলেন, পরের বছর পেয়েছিলেন যুব দলের নেতৃত্বও। জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছেন সমান তিনটি করে টেস্ট ও ওয়ানডে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের স্কোয়াডে থাকলেও ছিলেন না একাদশে। অভিষেক হয় ২০০২ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে। তবে ওয়ানডে অভিষেকটা তার দুই মাস আগে। ২০০১ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। আর সে বছরের জুলাইতে কলম্বোতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি।

এই খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি কখনোই কোনো সমস্যা অনুভব করেননি যে, তার শরীরে একটি কিডনির ঘাটতি রয়েছে। একেবারেই স্বচ্ছন্দে খেলে গেছে ঘরোয়া লিগ থেকে জাতীয় দলের সব কয়েকটি ম্যাচ।

ফাহিম নিজের এই ঘাটতির কথা প্রথম জানতে পারেন ২০২৩ সালে। সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমে তাকে নিয়ে এক প্রতিবেদনে এমনটা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। সে বছর ভারতের দিল্লিতে গিয়েছিলেন ফাহিম। তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও শারীরিক পরীক্ষার কাজেই মূলত গিয়েছিলেন। তখনই পেটের আলট্রা সাউন্ড পরীক্ষা করে ডাক্তার বুঝতে পারেন ফাহিমের একটি কিডনি নেই।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026