1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাংলাদেশে পার্টনার স্কুলগুলোর সাফল্য ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিল ব্রিটিশ কাউন্সিল যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বের জ্বালানি বাজারে আফ্রিকার শক্ত অবস্থান, নেতৃত্বে চার দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের বিকল্প সরবরাহ উৎস হিসেবে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে আফ্রিকা। বিপুল তেল উৎপাদন সত্ত্বেও পরিশোধিত জ্বালানির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন আমদানিনির্ভর আফ্রিকার চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। অবকাঠামোগত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মতো চ্যালেঞ্জ থাকলেও বিশ্ববাজারে বড় তেল রপ্তানিকারক অঞ্চল হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে আফ্রিকা।

বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের প্রায় ১০ শতাংশ আসে মহাদেশটি থেকে, যেখানে প্রতিদিন উত্তোলন হয় প্রায় ১ কোটি ব্যারেল। বিশেষ করে নাইজেরিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও অ্যাঙ্গোলার উৎপাদন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে নাইজেরিয়ায় দৈনিক গড়ে ১৫ থেকে ১৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়েছে। এ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশটি আফ্রিকার শীর্ষ তেল উৎপাদক ও রপ্তানিকারক হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা আফ্রিকান অপরিশোধিত তেলের ৫৫ শতাংশের বেশি এসেছে নাইজেরিয়া থেকে।

আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রমাণিত তেলের মজুদ রয়েছে লিবিয়ায়। দেশটির মজুদের পরিমাণ প্রায় ৪৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ব্যারেল। ২০২৫ সালে লিবিয়া প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৩ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন ও রপ্তানি করেছে।

তেলের উৎপাদনে এরপর রয়েছে আলজেরিয়া। দেশটি প্রতিদিন প্রায় ১১ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করেছে। অন্যদিকে অ্যাঙ্গোলা ধারাবাহিকভাবে দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন ও রপ্তানি করেছে।

তবে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ও রপ্তানি করলেও পরিশোধিত জ্বালানির ক্ষেত্রে আফ্রিকা দীর্ঘদিন ধরে আমদানিনির্ভর। বিশেষ করে পেট্রল ও ডিজেলের চাহিদা মেটাতে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে মহাদেশটির বিভিন্ন দেশকে। এর অন্যতম কারণ স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিশোধন সক্ষমতার অভাব। অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

নাইজেরিয়ায় দৈনিক ৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল পরিশোধন সক্ষমতার দাঙ্গোতে শোধনাগার পুরোপুরি চালু হয়েছে। বড় আকারের এ ধরনের অবকাঠামো কার্যক্রমে আসায় আফ্রিকার পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।

এদিকে, ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওপেকের ২০২৬ সালের বার্ষিক পরিসংখ্যান বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন ১ কোটি ৭ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সৌদি আরবের দৈনিক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৯ লাখ ব্যারেল। দুই দেশ মিলে বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ সরবরাহ করেছে।

তথ্যসূত্র : ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট ডট কম।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026