1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

অস্ট্রেলিয়ার উপনির্বাচনে ডানপন্থী ওয়ান নেশনের জয়: সংকটে লিবারেল পার্টি

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৬৯ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের গ্রামীণ আসন ফ্যারার-এ অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে দেশটির প্রধান বিরোধী দল লিবারেল পার্টির বড় ধরনের পরাজয় ঘটেছে। কট্টর ডানপন্থী ও ইসলামবিরোধী হিসেবে পরিচিত ‘ওয়ান নেশন’ পার্টি এই আসনে জয়লাভের পর অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন সমীকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ১৯৪৯ সাল থেকে লিবারেল-ন্যাশনাল জোটের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে ওয়ান নেশনের বিজয়কে দেশটির মূলধারার রাজনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ওয়ান নেশন পার্টির প্রার্থী ডেভিড ফার্লি ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পেয়েছেন ২৮ শতাংশ ভোট। বিপরীতে, প্রধান বিরোধী দল লিবারেল পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ১২ শতাংশ এবং তাদের জোটসঙ্গী ন্যাশনাল পার্টি পেয়েছে ১০ শতাংশ ভোট। গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে লিবারেল-ন্যাশনাল জোটের দখলে থাকা এই আসনে রক্ষণশীল ভোটারদের বড় একটি অংশ ওয়ান নেশনের দিকে ঝুঁকে পড়ায় দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী মন্তব্য করেছেন যে, লিবারেল পার্টি এখন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। তার মতে, উপনির্বাচনের এই ফলাফল ভবিষ্যতে লিবারেল পার্টিকে চরম ডানপন্থী দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোট গঠনে বাধ্য করতে পারে। ওয়ান নেশনের এই উত্থান লিবারেল পার্টির চিরাচরিত ভোটব্যাংকে ফাটল ধরিয়েছে, যা আগামী সাধারণ নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উপনির্বাচনে জয়ের পর ওয়ান নেশন পার্টির নেতা পলিন হ্যানসন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই জয় কেবল শুরু এবং তারা এখন অন্যান্য আসনগুলোর দিকেও নজর দিচ্ছেন। ভোটারদের আশ্বস্ত করে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে তারা পার্লামেন্টে জোরালো ভূমিকা রাখবেন। উল্লেখ্য, পলিন হ্যানসন দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসন কমানোর পক্ষে কঠোর অবস্থান এবং ইসলামবিরোধী বিভিন্ন বক্তব্যের জন্য অস্ট্রেলীয় রাজনীতিতে বিতর্কিত ও সমালোচিত হয়ে আসছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, আবাসন সংকট এবং অভিবাসন নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ এই উপনির্বাচনের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। গ্রামীণ অঞ্চলের ভোটাররা মূলধারার দলগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতিতে অসন্তুষ্ট হয়ে বিকল্প শক্তি হিসেবে ডানপন্থী ধারাকে বেছে নিয়েছে। বিশেষ করে ফ্যারার আসনের মতো ঐতিহ্যবাহী দুর্গে লিবারেল পার্টির শোচনীয় পরাজয় দলটির অভ্যন্তরে নেতৃত্বের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এই উপনির্বাচনের মাধ্যমে ওয়ান নেশন পার্টি ফেডারেল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তাদের প্রথম আসনটি নিশ্চিত করল। এর ফলে পার্লামেন্টে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে দলটির দরকষাকষির ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, লিবারেল পার্টিকে এখন তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ও ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারে নতুন করে চিন্তা করতে হচ্ছে। এই ফলাফল অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ডানপন্থী দলগুলোর প্রভাব বৃদ্ধির একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026