1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

ইসরায়েলি বিমানহামলার মধ্যে ২৬ নিহত; ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর গাজায় ত্রাণ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০২ বার দেখা হয়েছে

গাজার দক্ষিণ উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমানহামলায় নারী ও শিশুসহ ২৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে; একই সময়ে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ কয়েক ঘণ্টা পূর্বে জারি করা ত্রাণ সরবরাহ স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) এক কর্মকর্তা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আইডিএফের বরাত অনুযায়ী, রোববার গাজায় হামাসের একাংশ ইসরায়েলি ট্যাংককে লক্ষ্য করে ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে; ওই হামলায় ঘটনাস্থলে দুইজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হন। ওই ঘটনায় নিরাপত্তা আশঙ্কা দেখিয়ে ইসরায়েল সরকার গাজায় খাদ্য ও ত্রাণ সরবরাহ স্থগিতের নির্দেশ জারি করে। স্থগিতাদেশ ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গভীর পর্যায়ের সামরিক প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের বিমান বাহিনী রোববার রাতে বিমান অভিযান চালায়, যেখানে ২৬ জন নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ ত্রাণ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে।

ঘটনার পরপরই আন্তর্জাতিক ও অঞ্চলের কূটনৈতিক মহলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিমানযাত্রার সময় সাংবাদিকদের বলেছেন যে গাজায় যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর আছে, তা বজায় রয়েছে এবং ওই ঘটনাগুলো এখন কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে। ট্রাম্প বলেন, সাম্প্রতিক ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হওয়া হামলার সঙ্গে হামাসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সরাসরি সংযোগ আছে কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূত স্টিফ উইটকফ ও তাঁর জামাতা জ্যারেড কুশনার সোমবার ইসরায়েল সফরে গেছেন বলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানা গেছে; কূটনৈতিক উপস্থিতি বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় কমিটি বা আল-কাসাম ব্রিগেড কখনোই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের নির্দেশনা দেয়নি এবং তারা চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে বিবৃতিতে গাজায় বিভিন্ন স্বতন্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কয়েকটি গোষ্ঠী সাম্প্রতিক সময়ে আইডিএফের ওপর হামলা চালাতে পারে। বিবৃতিতে আরো উল্লেখ রয়েছে, মার্চ মাসের পর থেকে গাজার কিছু গ্রুপের সঙ্গে আল-কাসামের কেন্দ্রীয় কমিটির সরাসরি যোগাযোগ নেই।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্স ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাঁর মতে গাজায় ৪০টিরও বেশি স্বাধীন গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে; এর মধ্যে কিছুই যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, কিন্তু বেশিরভাগ এখনও তা মানেনি। তিনি বলেন, হামাসকে কার্যত অস্ত্রত্যাগ করাতে হলে এসব বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র গোষ্ঠীর ওপর বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

ত্রাণ সরবরাহ স্থগিতাদেশের দ্রুত প্রত্যাহার হলেও ঘটনাটি গাজার মানবিক অবস্থার উপর সুস্পষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক উপকরণ ও ত্রাণসংস্থাগুলো ইতিমধ্যেই গাজায় নিরাপদ প্রবেশ ও বিতরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল। ত্রাণের প্রবাহ সাময়িক বন্ধ থাকলে বিপন্ন নাগরিকদের খাবার, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সহায়তায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে, যা জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

সাম্প্রতিক ঘটনা যুদ্ধবিরতির ক্ষীণতাকে তুলে ধরে; পৃথক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড কৌশলগতভাবে বড় ধরনের সংঘাতে পুনরায় রূপ নিতে পারে। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলীয় কূটনীতিক দলের সার্বিক উপস্থিতি এবং উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ বিবেচনা করলে, অচিরেই কূটনৈতিক তৎপরতা তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও গাজার অভ্যন্তরীণ বিভক্ত গোষ্ঠীগুলো নিয়ন্ত্রণে না থাকলে স্থিতিশীলতা ফেরানো কঠিন হবে।

রয়টার্সকে উদ্ধৃত করে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্যের সূত্রধারীরা এ ব্যাপারে আরও তদন্ত ও নিশ্চিতকরণ করা প্রয়োজন বলে জানাচ্ছেন। ঘটনাবলীর ফলে সংগঠিত প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026