1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পাঁচজন নিহত ও প্রায় ৩০০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালসহ আটজনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন।

অন্য ছয় আসামি হলেন—অবসরপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

আসামিদের মধ্যে মানিক, জামাল ও সৈকত কারাগারে রয়েছেন। বাকিরা পলাতক। কারাগারে থাকা তিনজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনাল-১ এর রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে জমা দেয় প্রসিকিউশন।

আজ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের শুনানি হয়। প্রসিকিউটর এস এম মঈনুল করিম বেঞ্চের সামনে অভিযোগগুলো পড়ে শোনান।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ষড়যন্ত্র, উসকানি, প্ররোচনা ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আসামিরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাব ও আজিমপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় জড়িত ছিলেন। এসব হামলায় মোহাম্মদ শাহজাহান, খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ, সাইফুল ইসলাম বাবু, আবদুল ওয়াদুদ ও শাওন শিকদার নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন।

প্রসিকিউশন আরও অভিযোগ করে, ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থাকা মাকসুদ কামাল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ওই কথোপকথনের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও তাদের সহযোগীদের সম্পৃক্ততার সুযোগ করে দেন। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি তা করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেননি।

জাফর ইকবাল আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ হিসেবে উল্লেখ করেন, তাদের সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নীরব ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ষড়যন্ত্রে সহায়তায় তার সম্পৃক্ততার প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি প্রসিকিউশনের।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আবু সাঈদ হত্যার পর সাবেক বিচারপতি মানিক একটি টকশোতে উপস্থিত হয়ে পুলিশের গুলির ঘটনাকে সমর্থন করেন এবং আবু সাঈদকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রসিকিউটররা বলেন, তার ওই বক্তব্য পরবর্তী হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেয় এবং আন্দোলন দমনে আরও উৎসাহিত করে।

আরেক আসামি জামাল উদ্দিন শিক্ষার্থীদের বঙ্গোপসাগরে ‘ডুবিয়ে’ দেওয়া এবং ‘নিশ্চিহ্ন’ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, অন্য আসামিরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন। আসামিদের কয়েকজন শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন এবং পরে তাদের নির্দেশ, পরামর্শ বা আদেশ অনুযায়ী কাজ করতেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026