1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মঈন খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল : ডা. জাহিদ ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’—ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই যুবক আটক প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায় প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার

পৃষ্ঠপোষণমূলক ও স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসার কোনো সুযোগ নেই: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
বিএনপি সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষণমূলক বা স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, কোনো ব্যক্তি কার সঙ্গে পরিচিত বা কতটা প্রভাবশালী, তা বিবেচনা করা হবে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা বা পৃষ্ঠপোষণ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি।
মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক যৌথ মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার পাশাপাশি উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসার সুবান্ধব পরিবেশ তৈরি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং সহজ ব্যবসা পরিবেশ বা ইজ অব ডুইং বিজনেস নিশ্চিত করতে জাতীয় বাজেটে নীতিগত সংস্কার বা ডিরেগুলেশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর এবং কাস্টমসের কার্যক্রমে বিদ্যমান জটিলতা ও অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ কমানোর সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই দীর্ঘ বৈঠকে কাস্টমসের দীর্ঘদিনের রেগুলেশন জটিলতা এবং বন্দরে পণ্য খালাসে বাড়তি খরচের সমস্যাগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রী বলেন, কাস্টমসের বিভিন্ন জটিলতা ও বন্দরের অতিরিক্ত খরচের নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে, যার ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষের আর্থিক চাপ কমাতে এবং ব্যবসা সহজ করতে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কার্যকর সিদ্ধান্তগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ সাহসের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে বন্দর থেকে পণ্য খালাস ও রপ্তানি কার্যক্রমের সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম কাস্টমস চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অবৈধ ও আটকে থাকা কনটেইনারগুলো দ্রুত নিলাম বা যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির মাধ্যমে বন্দর এলাকা সম্পূর্ণ জটমুক্ত করার বিষয়েও সভায় বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে, একই দিনে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কার্যক্রম ও ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামকে ঘিরে সংস্থাটির একটি বিশাল ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। এডিবির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল স্বয়ং চট্টগ্রামে এসে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে এসব পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। মন্ত্রী আরও বলেন, এডিবি চট্টগ্রাম বন্দর নগরীকে কেবল একটি সাধারণ লজিস্টিকস হাব হিসেবে দেখছে না, বরং এটিকে আগামী দিনের বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026