1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে ব্রুকের বিধ্বংসী ২০২ বিএনপি যা প্রতিশ্রুতি দেয়, তা বাস্তবায়ন করে : রিজভী স্থানীয় নির্বাচনে সরকার বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে দেশে ফেরানো হলো রাষ্ট্রদূতকে আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ খুলনায় নদী ভাঙনের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বেড়িবাঁধের দাবি মঈন খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল : ডা. জাহিদ ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’—ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই যুবক আটক প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায়

মিরপুরে সরকারি জমিতে আওয়ামী গডফাদার ইলিয়াস মোল্লার দখলবাজি মিরপুরের দুয়ারীপাড়ায় প্লট দখল, চিড়িয়াখানায় জমি দখল, নদী ভরাটের অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে। নিয়মিত চাঁদা তুলত ক্যাডার বাহিনী।

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৮৩ বার দেখা হয়েছে

ঢাকার মিরপুরের দুয়ারীপাড়ায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ৪৭৩টি প্লটসহ প্রায় ২৬ একর জমি ২৮ বছর আগে দখল করেছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা। মিরপুর ১ নম্বরে ঢাকা চিড়িয়াখানার নামে বরাদ্দ হওয়া প্রায় দুই একর জমি দখল এবং মিরপুর ২ নম্বরে তুরাগ নদের অংশ ভরাট করে দুই শতাধিক বস্তিঘর গড়ে তোলারও অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে।

ইলিয়াস মোল্লার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির জন্য তিনি অর্ধশত সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। বিভিন্ন বস্তি, মার্কেট, দোকান ও বাসস্ট্যান্ড থেকে এই ক্যাডার বাহিনী নিয়মিত চাঁদা তুলত।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ইলিয়াস মোল্লার আয়ের বড় একটি উৎস হলো দুয়ারীপাড়া। মিরপুর সাড়ে ১১–সংলগ্ন দুয়ারীপাড়ার ৪৭৩টি প্লট নিয়ে ওয়াক্ফ এস্টেট ও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধের সুযোগটি কাজে লাগান ইলিয়াস মোল্লা। জায়গাটি ১৯৮১ সালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ সরকারি কর্মচারীদের বরাদ্দ দেয়। কিন্তু ওই জমি ওয়াক্ফ এস্টেটের দাবি করে দখলে নেওয়া হয়, যার নেতৃত্বে ছিল ইলিয়াস মোল্লার পরিবার। ১৯৯৬ সাল থেকে ধীরে ধীরে এটি নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। জমি থেকে উচ্ছেদের ভয় দেখিয়ে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে বছরে মোটা অঙ্কের চাঁদা নেওয়া হতো। এ ছাড়া এখানে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ দিয়ে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে প্রতি মাসে বিল বাবদ এবং ভাড়ার নামে টাকা তুলতেন। সরকারি তহবিলে এই টাকা জমা হতো না, ঢুকত ইলিয়াস মোল্লা ও তাঁর অনুসারীদের পকেটে। এসব প্লটের আয়তন পৌনে দুই, আড়াই ও তিন কাঠা।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026