1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, অবরোধের পর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক খুলনা হয়ে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী সৌদির কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, ১ জনের মৃত্যু ‘প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এযাবৎকালের সেরা পরামর্শ’ | Boishakhi Online মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা চালুর উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খুলনায় প্রথমবার তারেক রহমান আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে যুক্ত হচ্ছে সুন্দরবনের সাতটি জলজ প্রজাতির ডিএনএ সিকোয়েন্স হিরণ পয়েন্ট ও নলিয়ান পরিদর্শন শেষে মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় বানৌজাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাটে-বলে অস্ট্রেলিয়াকে ভুগিয়ে ইয়ানসেনের প্রত্যয়, ‘বারবার ফিরে আসবই’

যুক্তরাষ্ট্রে খালেদা জিয়ার স্মরণসভায় রাজনৈতিক ও মানবিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মিশন এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব মিলিতভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণসভা আয়োজন করে সোমবার (১২ জানুয়ারি)। অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, মানবিক আচরণ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় নারীর নেতৃত্ব হিসেবে তার অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সাবেক যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট স্মরণসভায় বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহু নির্যাতন ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও খালেদা জিয়া কখনো অভিযোগ করেননি। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া সবসময় হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণে সবাইকে মুগ্ধ করতেন। দক্ষিণ এশিয়ায় একজন নারী নেতা হিসেবে তার নেতৃত্ব অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।” বার্নিকাট স্মরণ করেন, বিপদ ও সংকটের সময়ও খালেদা জিয়া হাস্যোজ্জ্বল ও আন্তরিক ছিলেন এবং দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন।

স্মরণসভা আয়োজনকর্তা, মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষক ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, “যখন দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এবং বিরোধী মতের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছিল, তখন তিনি নির্ভীকভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন।” এছাড়া তিনি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক বন্দিত্বকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মানবাধিকার রিপোর্টের তথ্য তুলে ধরেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যান মজেনা স্মরণ করেন খালেদা জিয়ার অমায়িক ব্যক্তিত্ব ও দৃঢ়তা। তিনি বলেন, “অসুস্থ শরীর এবং কঠিন সময়েও তিনি সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। অন্যদের জন্য তার দ্বার সবসময় খোলা ছিল। তার মাধ্যমেই বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে।”

ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মার্ক শেফ বলেন, “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক চ্যাম্পিয়নের স্মরণসভা আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। তার নেতৃত্বে দেশ অনেক দূর এগিয়েছে।”

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা তার বক্তব্যে বলেন, “গণতন্ত্র ও জাতীয় রাজনীতিতে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অবদান অনস্বীকার্য।”

স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন এপির সাবেক সম্পাদক ম‍্যারন বিলকাইন্ডসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা সবাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়ার অবদান ও সংগ্রামী জীবনকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানান।

সভায় প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক নেতৃত্ব, মানবিক মনোভাব এবং নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক তার অবদান। অংশগ্রহণকারীরা মন্তব্য করেন, তার নেতৃত্বের ধারা ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026