1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস সৌদির বিমানবন্দরে হামলার তীব্র নিন্দা জানালো বাংলাদেশ আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে থামিয়ে বাংলাদেশের শতরানের লিড বাংলাদেশ সফরে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী পূজামণ্ডপে ঘুমহীন প্রহরীর ভূমিকা পালন করবেন বিএনপি নেতাকর্মীরা: রিজভী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে আরও সময় নিতে চায় বিএনপি কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় ছাত্রদল নেতা ও তার ভাতিজা গ্রেপ্তার বাজেটের ১৩ গুণ আয়ের পর ওটিটিতেও সফল নিভিন-মামিথার সিনেমা দুর্গাপূজা উপলক্ষে চার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সিনেমা ‘অন্যপাতা’ আইপিইউর ভুল ধারণা কেটে গেছে বলে জানালেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে আরও সময় নিতে চায় বিএনপি

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আগে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও সময় নিতে চায় বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ে অচলাবস্থা এবং নির্বাচনে একই পদে দলের একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দলটি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকে মূলত আসন্ন দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন—এই দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাঈল জবিউল্লাহ।

বৈঠক সূত্র জানায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ইসমাঈল জবিউল্লাহ সম্প্রতি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত অনলাইন বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু দলের চেয়ারম্যানের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং নির্বাচনে সম্ভাব্য বিভেদ ও কোন্দল এড়াতে আগেভাগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মত দেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। তবে কয়েকজন নেতা যত দ্রুত সম্ভব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে নির্বাচন আয়োজনের পক্ষেও মত দেন।

দলীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি, যাতে ভোটাররা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।

এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় একই পদে বিএনপির একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এতে দলীয় ভোট বিভক্ত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভেদ ও কোন্দল বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে সম্ভাব্য বিরোধগুলো আগেভাগে আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসার নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান।

সূত্র জানায়, বৈঠকে একজন সদস্য নির্বাচন কমিশনের সোমবার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার সম্ভাবনার বিষয়টি আলোচনায় তোলেন। এ সময় কয়েকজন সদস্য বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে এখনো এ বিষয়ে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তাই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার এখতিয়ার কমিশনের নেই বলে তারা মত দেন।

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার নির্দেশনা

বৈঠকে আসন্ন দুর্গাপূজা ঘিরে সারা দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৈঠক শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোতে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, "নানাভাবে দেশের বিরুদ্ধে, গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের নীলনকশা কেউ কেউ করছেন। সব ধরনের অপপ্রচার, অপকীর্তি এবং ষড়যন্ত্রকে সরকার দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে, দক্ষ পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিহত করতে সক্ষম হবে এবং আমাদের দলের নেতাকর্মীরা এ বিষয়ে সদা সতর্ক থাকবেন। তারা ঘুমহীন প্রহরীর মতো প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করবেন এবং প্রহরীর ভূমিকা পালন করবেন।"

এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আগামী বছরের শুরুর দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার কারণে নভেম্বর-ডিসেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন না করে পরীক্ষা শেষে জানুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় সরকার।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026