1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউএফসি ফাইটারদের দিয়ে স্পেশাল এজেন্টদের মিক্সড মার্শাল আর্টসের কৌশল শেখাবে এফবিআই আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস সৌদির বিমানবন্দরে হামলার তীব্র নিন্দা জানালো বাংলাদেশ আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে থামিয়ে বাংলাদেশের শতরানের লিড বাংলাদেশ সফরে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী পূজামণ্ডপে ঘুমহীন প্রহরীর ভূমিকা পালন করবেন বিএনপি নেতাকর্মীরা: রিজভী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে আরও সময় নিতে চায় বিএনপি কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় ছাত্রদল নেতা ও তার ভাতিজা গ্রেপ্তার বাজেটের ১৩ গুণ আয়ের পর ওটিটিতেও সফল নিভিন-মামিথার সিনেমা দুর্গাপূজা উপলক্ষে চার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সিনেমা ‘অন্যপাতা’

আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

আজ রোববার (১১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, লিঙ্গবৈষম্য দূর করা এবং সব ধরনের সহিংসতা থেকে সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।

এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ অ্যান্ড ইনভেস্ট ইন গার্লস রাইটস’। অর্থাৎ, ‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন’।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো কন্যাশিশুদের সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা এবং তাদের ক্ষমতায়ন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বিশ্ববাসীকে উৎসাহিত করা।

বিশ্বের প্রায় ১১০ কোটি কন্যাশিশু শক্তি, সম্ভাবনা ও সৃজনশীলতার গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তবে দারিদ্র্য, শিক্ষার সুযোগের অভাব, অপুষ্টি, বাল্যবিবাহ, লিঙ্গবৈষম্য এবং বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা এখনো অনেক কন্যাশিশুর স্বাভাবিক বিকাশের পথে বাধা হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটের সময় কন্যাশিশুরা নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ে।

দিবসটি পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো কন্যাশিশুদের মানসম্মত শিক্ষা, পুষ্টি, চিকিৎসাসেবা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ বন্ধ, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কন্যাশিশুদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রতিটি মেয়ের জন্য শিক্ষা, সমান সুযোগ, নিরাপত্তা এবং নিজের জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা গেলে একটি বৈষম্যহীন ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026